Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৩:১১ অপরাহ্ন

নির্বাচন এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা, নির্বাচন শেষ হলে কি সবই শেষ?

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: নির্বাচন এলেই উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসের কথা শোনা যায়। কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, তা নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রশ্ন থেকেই যায়। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশা ঘিরেও এমনই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


রুস্তমপুর ইউনিয়ন ও বিছনাকান্দী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই সড়কটি স্থানীয়দের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ও কাদার সৃষ্টি হয়। এতে যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নিয়মিত চলাচল করেন। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা থাকলেও কার্যকর সংস্কারকাজের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি।


এদিকে সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আবারও উন্নয়ন ও সড়ক সংস্কার নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এবার শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা হবে।


সড়কটির সংস্কারের বিষয়ে ১ নম্বর রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দীন শিহাব বলেন, “এই রাস্তার কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যেই শুরু হবে। এ বিষয়ে উপজেলা বরাবর আবেদন করা হয়েছে।”


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারীর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।


স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দ্রুত সড়কটির সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।


এখন দেখার বিষয়, চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবে শুরু হয় কি না। নাকি প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের সংস্কারের আশ্বাস—সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: নির্বাচন এলেই উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসের কথা শোনা যায়। কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, তা নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রশ্ন থেকেই যায়। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশা ঘিরেও এমনই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


রুস্তমপুর ইউনিয়ন ও বিছনাকান্দী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই সড়কটি স্থানীয়দের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ও কাদার সৃষ্টি হয়। এতে যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নিয়মিত চলাচল করেন। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা থাকলেও কার্যকর সংস্কারকাজের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি।


এদিকে সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আবারও উন্নয়ন ও সড়ক সংস্কার নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এবার শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা হবে।


সড়কটির সংস্কারের বিষয়ে ১ নম্বর রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দীন শিহাব বলেন, “এই রাস্তার কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যেই শুরু হবে। এ বিষয়ে উপজেলা বরাবর আবেদন করা হয়েছে।”


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারীর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।


স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দ্রুত সড়কটির সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।


এখন দেখার বিষয়, চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবে শুরু হয় কি না। নাকি প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের সংস্কারের আশ্বাস—সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com