Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

বিতর্কের পর সিলেট ছাড়ছেন নিয়াজুর, জগন্নাথপুরে এখনো যাননি সুবর্ণা

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

 নানা অভিযোগ ও আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নিয়াজুর রহমানকে রাঙামাটিতে বদলি করা হয়েছে। একই সময়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও সিলেট সদর উপজেলার মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. সুবর্ণা রায় তুলিকেও সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বদলি করা হয়েছে।


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ৩১ আগস্টের এক প্রজ্ঞাপনে নিয়াজুর রহমানকে সিলেট থেকে রাঙামাটি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক পদে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ মকবুল হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মো. নিয়াজুর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবমুক্ত না হলে ৪ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে ‘তাৎক্ষণিক অবমুক্ত’ বা ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


জগন্নাথপুরে এখনো যোগ দেননি সুবর্ণা


এর আগে নিয়াজুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী ডা. সুবর্ণা রায় তুলিকে সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও তার বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১৮ আগস্ট তার জগন্নাথপুরে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি জগন্নাথপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে জগন্নাথপুর হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় অফিস সহকারী নির্মল দেবনাথ জানান, ডা. সুবর্ণা রায় তুলি এখনো জগন্নাথপুরে যোগদান করেননি।


তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথপুরে যোগ না দিয়ে গত ২৫ আগস্ট ডা. সুবর্ণা রায় তুলি সুনামগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে যোগদান করেছেন। সুনামগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপসহকারী কর্মকর্তা তপন কান্তি গোষও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনি জেলা অফিসে যোগ দিয়েছেন এবং জগন্নাথপুরে তার যোগদানের কথা রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


দীর্ঘদিনের অভিযোগ ঘিরে আলোচনা


সিলেট পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ঘিরে মো. নিয়াজুর রহমান ও ডা. সুবর্ণা রায় তুলির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ও আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে বদলি-পদায়নে প্রভাব বিস্তার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।


গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


অভিযোগের বিষয়ে মো. নিয়াজুর রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


নিয়াজুর রহমানকে রাঙামাটিতে বদলির মধ্য দিয়ে সিলেট পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ঘিরে চলমান আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। অন্যদিকে, বদলির আদেশ পাওয়ার পরও ডা. সুবর্ণা রায় তুলির জগন্নাথপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ না করায় বিষয়টি নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

 নানা অভিযোগ ও আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নিয়াজুর রহমানকে রাঙামাটিতে বদলি করা হয়েছে। একই সময়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও সিলেট সদর উপজেলার মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. সুবর্ণা রায় তুলিকেও সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বদলি করা হয়েছে।


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ৩১ আগস্টের এক প্রজ্ঞাপনে নিয়াজুর রহমানকে সিলেট থেকে রাঙামাটি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক পদে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ মকবুল হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মো. নিয়াজুর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবমুক্ত না হলে ৪ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে ‘তাৎক্ষণিক অবমুক্ত’ বা ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


জগন্নাথপুরে এখনো যোগ দেননি সুবর্ণা


এর আগে নিয়াজুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী ডা. সুবর্ণা রায় তুলিকে সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও তার বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১৮ আগস্ট তার জগন্নাথপুরে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি জগন্নাথপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে জগন্নাথপুর হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় অফিস সহকারী নির্মল দেবনাথ জানান, ডা. সুবর্ণা রায় তুলি এখনো জগন্নাথপুরে যোগদান করেননি।


তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথপুরে যোগ না দিয়ে গত ২৫ আগস্ট ডা. সুবর্ণা রায় তুলি সুনামগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে যোগদান করেছেন। সুনামগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপসহকারী কর্মকর্তা তপন কান্তি গোষও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনি জেলা অফিসে যোগ দিয়েছেন এবং জগন্নাথপুরে তার যোগদানের কথা রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


দীর্ঘদিনের অভিযোগ ঘিরে আলোচনা


সিলেট পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ঘিরে মো. নিয়াজুর রহমান ও ডা. সুবর্ণা রায় তুলির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ও আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে বদলি-পদায়নে প্রভাব বিস্তার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।


গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


অভিযোগের বিষয়ে মো. নিয়াজুর রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


নিয়াজুর রহমানকে রাঙামাটিতে বদলির মধ্য দিয়ে সিলেট পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ঘিরে চলমান আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। অন্যদিকে, বদলির আদেশ পাওয়ার পরও ডা. সুবর্ণা রায় তুলির জগন্নাথপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ না করায় বিষয়টি নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com