সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ঘোড়াডোবা জলমহালে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল জেলের বিরুদ্ধে। মাছ শিকারে বাধা দেওয়ায় জলমহালটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সমিতির এক প্রতিনিধিকে মারধর করে আহত করারও অভিযোগ রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জলমহালটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সমিতির প্রতিনিধি ও তাহিরপুর উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মধ্যনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াডোবা জলমহালটি জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাধীন। ১৯৪ একর ৬০ শতক আয়তনের জলমহালটি ১৪২৯ থেকে ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য ইজারা নেয় তাহিরপুর উপজেলার দুর্লভপুর কুটিপাড়া পশ্চিমবাড়ী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতি ইজারামূল্য ও অন্যান্য পাওনাদি পরিশোধ করে পাহারাদার নিয়োগের মাধ্যমে জলমহালটি রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে।
অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ছয়জন পাহারাদার ও দুইজন প্রতিনিধি জলমহাল পাহারায় ছিলেন। রাত ৯টার দিকে ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে করুয়াজান গ্রামের ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন জেলে জলমহালে প্রবেশ করেন। তাদের কাছে পাঁচটি নিষিদ্ধ মশারি জাল ও দেশীয় অস্ত্র ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
জেলেরা জলমহালের মধ্যবর্তী স্থানে জাল ফেলে মাছ শিকার শুরু করলে পাহারাদার ও প্রতিনিধিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে পাহারাদাররা পিছু হটতে বাধ্য হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাড়া খেয়ে জলমহালের তীরবর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে গেলে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি মাছুম মিয়াকে (৩৩) দুজন জেলে কাঠের রোল দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি আহত হন এবং স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
সমিতির প্রতিনিধি সাইদুর রহমান বলেন, ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন জেলে রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জলমহালের মধ্যবর্তী স্থানে জাল ফেলে তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। ইটপাটকেলের আঘাতে তিনিও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইদ্রিস আলী বলেন, তারা জলমহালের মধ্যবর্তী স্থান থেকে মাছ লুট করেননি। জলমহালের সীমানার বাইরের উন্মুক্ত স্থান থেকে মাছ শিকার করেছেন। কাউকে মারধরও করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
দুর্লভপুর কুটিপাড়া পশ্চিমবাড়ী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি দুলাল মিয়া বলেন, তাদের জলমহালে মাছ লুট ও একজন প্রতিনিধিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানকে মামলা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ঘোড়াডোবা জলমহালে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল জেলের বিরুদ্ধে। মাছ শিকারে বাধা দেওয়ায় জলমহালটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সমিতির এক প্রতিনিধিকে মারধর করে আহত করারও অভিযোগ রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জলমহালটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সমিতির প্রতিনিধি ও তাহিরপুর উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মধ্যনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াডোবা জলমহালটি জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাধীন। ১৯৪ একর ৬০ শতক আয়তনের জলমহালটি ১৪২৯ থেকে ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য ইজারা নেয় তাহিরপুর উপজেলার দুর্লভপুর কুটিপাড়া পশ্চিমবাড়ী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতি ইজারামূল্য ও অন্যান্য পাওনাদি পরিশোধ করে পাহারাদার নিয়োগের মাধ্যমে জলমহালটি রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে।
অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ছয়জন পাহারাদার ও দুইজন প্রতিনিধি জলমহাল পাহারায় ছিলেন। রাত ৯টার দিকে ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে করুয়াজান গ্রামের ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন জেলে জলমহালে প্রবেশ করেন। তাদের কাছে পাঁচটি নিষিদ্ধ মশারি জাল ও দেশীয় অস্ত্র ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
জেলেরা জলমহালের মধ্যবর্তী স্থানে জাল ফেলে মাছ শিকার শুরু করলে পাহারাদার ও প্রতিনিধিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে পাহারাদাররা পিছু হটতে বাধ্য হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাড়া খেয়ে জলমহালের তীরবর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে গেলে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি মাছুম মিয়াকে (৩৩) দুজন জেলে কাঠের রোল দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি আহত হন এবং স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
সমিতির প্রতিনিধি সাইদুর রহমান বলেন, ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন জেলে রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জলমহালের মধ্যবর্তী স্থানে জাল ফেলে তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। ইটপাটকেলের আঘাতে তিনিও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইদ্রিস আলী বলেন, তারা জলমহালের মধ্যবর্তী স্থান থেকে মাছ লুট করেননি। জলমহালের সীমানার বাইরের উন্মুক্ত স্থান থেকে মাছ শিকার করেছেন। কাউকে মারধরও করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
দুর্লভপুর কুটিপাড়া পশ্চিমবাড়ী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি দুলাল মিয়া বলেন, তাদের জলমহালে মাছ লুট ও একজন প্রতিনিধিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানকে মামলা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।