সিলেটের বিভিন্ন মাঠে ‘ক্ষ্যাপের’ ফুটবলে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে আলোচনায় আসা গোলরক্ষক হিলাল আহমেদের নতুন ঠিকানা এখন দেশের শীর্ষ ফুটবল ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। নতুন মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়ে পেশাদার ফুটবলের বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার এই প্রতিভাবান গোলরক্ষক।
হিলাল আহমেদ জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কুদরত উল্লাহর ছেলে। স্থানীয় ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে গোলরক্ষক হিসেবে দারুণ পারফরম্যান্স করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাঠে ‘ক্ষ্যাপের’ ফুটবলে তাঁর দুর্দান্ত সেভ ও অসাধারণ পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ে। তাঁর বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত পরিচিতি পান তিনি।
কখনো একা দলকে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন, আবার কখনো গোলপোস্টের নিচে অসাধারণ দক্ষতায় হয়ে উঠেছেন ম্যাচের নায়ক। স্থানীয় ফুটবলে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই হিলালকে ধীরে ধীরে বড় মঞ্চের দিকে এগিয়ে নেয়।
তবে হিলালের ফুটবলযাত্রা শুধু স্থানীয় মাঠে সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলেও রয়েছে তাঁর অভিজ্ঞতা। তৃতীয় বিভাগ লিগ দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। এরপর দ্বিতীয় বিভাগ, প্রথম বিভাগ ও সিনিয়র ডিভিশন পেরিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে (বিসিএল) খেলার সুযোগ পান তিনি। বিসিএলে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমেছেন এই গোলরক্ষক।
জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাতেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন হিলাল। ২০২৫ সালের জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সিলেট ভেন্যুর উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট জেলা দলের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
গত কয়েক বছরে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাঠে তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুর্দান্ত সেভের ভিডিও তাঁকে স্থানীয় ফুটবলের পরিচিত মুখে পরিণত করে। এবার সেই অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে দেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন হিলাল।
বসুন্ধরা কিংসে সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত হিলাল আহমেদ বলেন, “আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত বসুন্ধরা কিংসে সুযোগ পেয়ে। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চেয়েছিলাম। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল দেশের সেরা ক্লাবে খেলব। খালেদ স্যারের (খালেদ আহমেদ) কারণে কিংসে যোগ দিতে পেরেছি। আশা করি, ভালো কিছু হবে।”
জৈন্তাপুরের ফতেপুর ইউনিয়নের স্থানীয় মাঠ থেকে শুরু করে সিলেটের বিভিন্ন ‘ক্ষ্যাপের’ আসর, এরপর ঢাকার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল—ধাপে ধাপে এগিয়ে এবার দেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসে জায়গা করে নিয়েছেন হিলাল আহমেদ।
তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত জৈন্তাপুরের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষও। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও যে খেলোয়াড়রা দেশের বড় মঞ্চে উঠে আসতে পারেন, হিলালের যাত্রা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
‘ক্ষ্যাপের’ মাঠের পরিচিত সেই গোলরক্ষক এখন বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, বড় মঞ্চ এবং নিজেকে প্রমাণের নতুন সুযোগ—নতুন অধ্যায়ে হিলাল আহমেদের কাছ থেকে আরও দুর্দান্ত সেভের প্রত্যাশায় সিলেট ও জৈন্তাপুরের ফুটবলপ্রেমীরা।
সিলেটের বিভিন্ন মাঠে ‘ক্ষ্যাপের’ ফুটবলে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে আলোচনায় আসা গোলরক্ষক হিলাল আহমেদের নতুন ঠিকানা এখন দেশের শীর্ষ ফুটবল ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। নতুন মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়ে পেশাদার ফুটবলের বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার এই প্রতিভাবান গোলরক্ষক।
হিলাল আহমেদ জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কুদরত উল্লাহর ছেলে। স্থানীয় ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে গোলরক্ষক হিসেবে দারুণ পারফরম্যান্স করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাঠে ‘ক্ষ্যাপের’ ফুটবলে তাঁর দুর্দান্ত সেভ ও অসাধারণ পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ে। তাঁর বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত পরিচিতি পান তিনি।
কখনো একা দলকে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন, আবার কখনো গোলপোস্টের নিচে অসাধারণ দক্ষতায় হয়ে উঠেছেন ম্যাচের নায়ক। স্থানীয় ফুটবলে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই হিলালকে ধীরে ধীরে বড় মঞ্চের দিকে এগিয়ে নেয়।
তবে হিলালের ফুটবলযাত্রা শুধু স্থানীয় মাঠে সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলেও রয়েছে তাঁর অভিজ্ঞতা। তৃতীয় বিভাগ লিগ দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। এরপর দ্বিতীয় বিভাগ, প্রথম বিভাগ ও সিনিয়র ডিভিশন পেরিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে (বিসিএল) খেলার সুযোগ পান তিনি। বিসিএলে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমেছেন এই গোলরক্ষক।
জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাতেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন হিলাল। ২০২৫ সালের জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সিলেট ভেন্যুর উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট জেলা দলের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
গত কয়েক বছরে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাঠে তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুর্দান্ত সেভের ভিডিও তাঁকে স্থানীয় ফুটবলের পরিচিত মুখে পরিণত করে। এবার সেই অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে দেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন হিলাল।
বসুন্ধরা কিংসে সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত হিলাল আহমেদ বলেন, “আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত বসুন্ধরা কিংসে সুযোগ পেয়ে। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চেয়েছিলাম। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল দেশের সেরা ক্লাবে খেলব। খালেদ স্যারের (খালেদ আহমেদ) কারণে কিংসে যোগ দিতে পেরেছি। আশা করি, ভালো কিছু হবে।”
জৈন্তাপুরের ফতেপুর ইউনিয়নের স্থানীয় মাঠ থেকে শুরু করে সিলেটের বিভিন্ন ‘ক্ষ্যাপের’ আসর, এরপর ঢাকার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল—ধাপে ধাপে এগিয়ে এবার দেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসে জায়গা করে নিয়েছেন হিলাল আহমেদ।
তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত জৈন্তাপুরের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষও। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও যে খেলোয়াড়রা দেশের বড় মঞ্চে উঠে আসতে পারেন, হিলালের যাত্রা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
‘ক্ষ্যাপের’ মাঠের পরিচিত সেই গোলরক্ষক এখন বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, বড় মঞ্চ এবং নিজেকে প্রমাণের নতুন সুযোগ—নতুন অধ্যায়ে হিলাল আহমেদের কাছ থেকে আরও দুর্দান্ত সেভের প্রত্যাশায় সিলেট ও জৈন্তাপুরের ফুটবলপ্রেমীরা।