Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৭ আগস্ট ২০২৬ · ১১:৫২ অপরাহ্ন

৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ, সিলেট বিভাগের চার জেলায় দায়িত্বে যারা

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

স্টাফ রিপোর্টার :

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। তাঁদের কেউ একটি, আবার কেউ দুই থেকে তিনটি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন তাঁরা। প্রয়োজনে জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শও দিতে পারবেন।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে তা লুটপাট করা হয়েছে। লুট করা অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ দেশের ভেতরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


সিলেট বিভাগের চার জেলায় দায়িত্বে যারা


সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার এবং জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিলেট বিভাগের চার জেলার তদারকির দায়িত্ব পড়েছে তিনজনের ওপর।


যেসব মন্ত্রী ও হুইপ একাধিক জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন


দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদ পেয়েছেন রাজশাহী ও নাটোর; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়; আবদুল আউয়াল মিন্টু লক্ষ্মীপুর এবং নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গার দায়িত্ব পেয়েছেন।


মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন চট্টগ্রাম; এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; আসাদুল হাবিব দুলু ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন।


জাকারিয়া তাহের পেয়েছেন ফেনী ও নোয়াখালী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ; সাচিং প্রু কক্সবাজার এবং মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর দায়িত্ব পেয়েছেন।


শামা ওবায়েদ ইসলাম পেয়েছেন মাদারীপুর ও শরীয়তপুর; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন ঢাকা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।


পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন।


ফারজানা শারমিন পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল; ইমরান খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ এবং আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ ছাড়া মোহাম্মদ শামীম কায়সার পেয়েছেন জয়পুরহাট ও নওগাঁ; মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন। দায়িত্ব বণ্টনের এই তালিকা বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রজ্ঞাপনের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।


নতুন এ দায়িত্বের ফলে জেলা পর্যায়ে সরকারের কার্যক্রমের সঙ্গে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের তদারকি ও সমন্বয় আরও সরাসরি যুক্ত হলো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণেই তাঁদের এ দায়িত্বের মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার :

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। তাঁদের কেউ একটি, আবার কেউ দুই থেকে তিনটি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন তাঁরা। প্রয়োজনে জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শও দিতে পারবেন।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে তা লুটপাট করা হয়েছে। লুট করা অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ দেশের ভেতরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


সিলেট বিভাগের চার জেলায় দায়িত্বে যারা


সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার এবং জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিলেট বিভাগের চার জেলার তদারকির দায়িত্ব পড়েছে তিনজনের ওপর।


যেসব মন্ত্রী ও হুইপ একাধিক জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন


দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদ পেয়েছেন রাজশাহী ও নাটোর; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়; আবদুল আউয়াল মিন্টু লক্ষ্মীপুর এবং নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গার দায়িত্ব পেয়েছেন।


মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন চট্টগ্রাম; এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; আসাদুল হাবিব দুলু ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন।


জাকারিয়া তাহের পেয়েছেন ফেনী ও নোয়াখালী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ; সাচিং প্রু কক্সবাজার এবং মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর দায়িত্ব পেয়েছেন।


শামা ওবায়েদ ইসলাম পেয়েছেন মাদারীপুর ও শরীয়তপুর; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন ঢাকা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।


পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন।


ফারজানা শারমিন পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল; ইমরান খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ এবং আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ ছাড়া মোহাম্মদ শামীম কায়সার পেয়েছেন জয়পুরহাট ও নওগাঁ; মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন। দায়িত্ব বণ্টনের এই তালিকা বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রজ্ঞাপনের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।


নতুন এ দায়িত্বের ফলে জেলা পর্যায়ে সরকারের কার্যক্রমের সঙ্গে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের তদারকি ও সমন্বয় আরও সরাসরি যুক্ত হলো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণেই তাঁদের এ দায়িত্বের মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com