অনলাইন ডেস্ক।
ফেনীর মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের নির্মাণকাজ আগামী মাসে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা। ২০২৬ সালে কাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম অংশে মুহুরী-কহুয়া নদীর বাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী-কহুয়া নদীর বাঁধগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিবছর বন্যা ও অতিবৃষ্টির পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশের বাঁধ খুলে দেওয়া বা বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় এ অঞ্চলে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। এতে মানুষের জানমাল ও কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ফেনীতে বড় ধরনের বন্যা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় এলাকা প্লাবিত থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং মানুষের মধ্যে চরম দুর্ভোগ ও হাহাকার সৃষ্টি হয়েছিল। বন্যার পানি একদিকে ফেনী নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে এবং অন্যদিকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের দিকে প্রবাহিত হয়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা স্থায়ীভাবে মোকাবিলায় সরকার মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা। এটি প্রকল্পের প্রথম পর্যায় এবং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মাসের যেকোনো সময় ফেনীতে এসে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন। সবার আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় ২০২৬ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে তা শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
ভারত প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিবাচক হওয়া উচিত। ভারত বাঁধ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আরও সতর্ক ও সচেতন থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে—এটাই প্রত্যাশা। কোনোভাবেই যেন বাংলাদেশের মানুষ আগ্রাসনের শিকার না হন, সে বিষয়ে সরকার আরও বেশি সতর্ক থাকবে।
বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, কুমিল্লা অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব ও মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনলাইন ডেস্ক।
ফেনীর মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের নির্মাণকাজ আগামী মাসে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা। ২০২৬ সালে কাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম অংশে মুহুরী-কহুয়া নদীর বাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী-কহুয়া নদীর বাঁধগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিবছর বন্যা ও অতিবৃষ্টির পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশের বাঁধ খুলে দেওয়া বা বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় এ অঞ্চলে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। এতে মানুষের জানমাল ও কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ফেনীতে বড় ধরনের বন্যা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় এলাকা প্লাবিত থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং মানুষের মধ্যে চরম দুর্ভোগ ও হাহাকার সৃষ্টি হয়েছিল। বন্যার পানি একদিকে ফেনী নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে এবং অন্যদিকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের দিকে প্রবাহিত হয়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা স্থায়ীভাবে মোকাবিলায় সরকার মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা। এটি প্রকল্পের প্রথম পর্যায় এবং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মাসের যেকোনো সময় ফেনীতে এসে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন। সবার আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় ২০২৬ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে তা শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
ভারত প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিবাচক হওয়া উচিত। ভারত বাঁধ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আরও সতর্ক ও সচেতন থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে—এটাই প্রত্যাশা। কোনোভাবেই যেন বাংলাদেশের মানুষ আগ্রাসনের শিকার না হন, সে বিষয়ে সরকার আরও বেশি সতর্ক থাকবে।
বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, কুমিল্লা অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব ও মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।