মো. জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স:
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। সরকারি চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসাজীবন শুরু করে অবসর নেওয়ার পরও চিকিৎসাসেবা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি তিনি। দীর্ঘ ৪২–৪৩ বছর ধরে ঢাকাদক্ষিণে বসবাসের পাশাপাশি নিজ চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখে চলেছেন এই চিকিৎসক।
প্রায় ৪২–৪৩ বছর আগে ঢাকাদক্ষিণ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে গোলাপগঞ্জে তাঁর চিকিৎসাসেবার পথচলা শুরু হয়। কর্মজীবনে তিলপাড়া, কানাইঘাটসহ সিলেটের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
চাকরির শুরু থেকেই পরিবার নিয়ে গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণে বসবাস করে আসছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। দীর্ঘদিন ঢাকাদক্ষিণ ঠাকুরবাড়ি পুকুরপাড় এলাকায় বসবাসের পর বর্তমানে তিনি ৬ নম্বর ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তরাইল (মিশ্রপাড়া) গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছেন। সেখানে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভোটার হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
চিকিৎসাজীবনের শুরুর দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় চিকিৎসকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। সে সময় থেকেই স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হন ডা. বাসুদেব কর্মকার। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ চেম্বারে রোগী দেখেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। শুধু গোলাপগঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও রোগীরা তাঁর কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। বিয়ানীবাজার, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বড়লেখাসহ বিভিন্ন এলাকার রোগীদেরও তাঁর চেম্বারে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়।
দীর্ঘদিনের চিকিৎসা-অভিজ্ঞতা, রোগীদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ এবং নিয়মিত চিকিৎসাসেবার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি পরিচিত একজন চিকিৎসক হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছেন। সরকারি চাকরির সময় অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অবসর জীবনেও মানুষের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত রয়েছেন তিনি।
অনেক চিকিৎসক সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর নিয়মিত চিকিৎসাসেবা থেকে দূরে সরে গেলেও ডা. বাসুদেব কর্মকারের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কর্মজীবনের মতো অবসর জীবনেও মানুষের চিকিৎসাসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
দীর্ঘদিন একই এলাকায় বসবাস ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁর গড়ে উঠেছে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক। জন্মস্থান মানিকগঞ্জ হলেও প্রায় সাড়ে চার দশক ধরে ঢাকাদক্ষিণে বসবাস ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি এখন পরিচিত এক মুখ।
চার দশকের বেশি সময়ের এই পথচলায় সরকারি হাসপাতালের দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে অবসর-পরবর্তী ব্যক্তিগত চেম্বার—সব পর্যায়েই মানুষের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। তাঁর এই দীর্ঘ চিকিৎসাসেবা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
মো. জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স:
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। সরকারি চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসাজীবন শুরু করে অবসর নেওয়ার পরও চিকিৎসাসেবা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি তিনি। দীর্ঘ ৪২–৪৩ বছর ধরে ঢাকাদক্ষিণে বসবাসের পাশাপাশি নিজ চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখে চলেছেন এই চিকিৎসক।
প্রায় ৪২–৪৩ বছর আগে ঢাকাদক্ষিণ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে গোলাপগঞ্জে তাঁর চিকিৎসাসেবার পথচলা শুরু হয়। কর্মজীবনে তিলপাড়া, কানাইঘাটসহ সিলেটের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
চাকরির শুরু থেকেই পরিবার নিয়ে গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণে বসবাস করে আসছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। দীর্ঘদিন ঢাকাদক্ষিণ ঠাকুরবাড়ি পুকুরপাড় এলাকায় বসবাসের পর বর্তমানে তিনি ৬ নম্বর ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তরাইল (মিশ্রপাড়া) গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছেন। সেখানে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভোটার হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
চিকিৎসাজীবনের শুরুর দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় চিকিৎসকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। সে সময় থেকেই স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হন ডা. বাসুদেব কর্মকার। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ চেম্বারে রোগী দেখেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। শুধু গোলাপগঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও রোগীরা তাঁর কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। বিয়ানীবাজার, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বড়লেখাসহ বিভিন্ন এলাকার রোগীদেরও তাঁর চেম্বারে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়।
দীর্ঘদিনের চিকিৎসা-অভিজ্ঞতা, রোগীদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ এবং নিয়মিত চিকিৎসাসেবার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি পরিচিত একজন চিকিৎসক হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছেন। সরকারি চাকরির সময় অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অবসর জীবনেও মানুষের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত রয়েছেন তিনি।
অনেক চিকিৎসক সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর নিয়মিত চিকিৎসাসেবা থেকে দূরে সরে গেলেও ডা. বাসুদেব কর্মকারের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কর্মজীবনের মতো অবসর জীবনেও মানুষের চিকিৎসাসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
দীর্ঘদিন একই এলাকায় বসবাস ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁর গড়ে উঠেছে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক। জন্মস্থান মানিকগঞ্জ হলেও প্রায় সাড়ে চার দশক ধরে ঢাকাদক্ষিণে বসবাস ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি এখন পরিচিত এক মুখ।
চার দশকের বেশি সময়ের এই পথচলায় সরকারি হাসপাতালের দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে অবসর-পরবর্তী ব্যক্তিগত চেম্বার—সব পর্যায়েই মানুষের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ডা. বাসুদেব কর্মকার। তাঁর এই দীর্ঘ চিকিৎসাসেবা এখনও অব্যাহত রয়েছে।