ওসমানীনগর প্রতিনিধি:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের বড় হাজিপুর গ্রামে একটি মেছোবাঘ আটক করেছে এলাকাবাসী। পরে আটক বাঘটিকে সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় হাজিপুর গ্রামের কাশেম মিয়ার বাড়ির খামারে দীর্ঘদিন ধরে একটি মেছোবাঘ এসে মোরগ ধরে নিয়ে খেয়ে আসছিল। এতে খামারের মোরগ নিয়ে বিপাকে পড়েন কাশেম মিয়া। একপর্যায়ে বাঘটিকে ধরতে তিনি লোহার খাঁচা তৈরি করে গত ১৮ আগস্ট খামারের পাশে ফাঁদ পেতে রাখেন।
এরপর ১৯ আগস্ট ভোরে ওই ফাঁদে একটি মেছোবাঘ আটকা পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঘটিকে উদ্ধার করেন। পরে সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তা সেরজামান মিয়ার কাছে বাঘটিকে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় এ ধরনের আরও মেছোবাঘ রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। রাতের বেলা বাড়ির আশপাশে এসব বন্যপ্রাণীর বিচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। মোরগ, হাঁস ও ছাগল পালনের ক্ষেত্রেও অনেকে আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান তাঁরা।
স্থানীয়দের দাবি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে বন বিভাগের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি লোকালয়ে বন্যপ্রাণীর প্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
সিলেট অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়েও লোকালয়ে মেছোবাঘ আটকের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগ সাধারণত এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা—দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ওসমানীনগর প্রতিনিধি:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের বড় হাজিপুর গ্রামে একটি মেছোবাঘ আটক করেছে এলাকাবাসী। পরে আটক বাঘটিকে সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় হাজিপুর গ্রামের কাশেম মিয়ার বাড়ির খামারে দীর্ঘদিন ধরে একটি মেছোবাঘ এসে মোরগ ধরে নিয়ে খেয়ে আসছিল। এতে খামারের মোরগ নিয়ে বিপাকে পড়েন কাশেম মিয়া। একপর্যায়ে বাঘটিকে ধরতে তিনি লোহার খাঁচা তৈরি করে গত ১৮ আগস্ট খামারের পাশে ফাঁদ পেতে রাখেন।
এরপর ১৯ আগস্ট ভোরে ওই ফাঁদে একটি মেছোবাঘ আটকা পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঘটিকে উদ্ধার করেন। পরে সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তা সেরজামান মিয়ার কাছে বাঘটিকে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় এ ধরনের আরও মেছোবাঘ রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। রাতের বেলা বাড়ির আশপাশে এসব বন্যপ্রাণীর বিচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। মোরগ, হাঁস ও ছাগল পালনের ক্ষেত্রেও অনেকে আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান তাঁরা।
স্থানীয়দের দাবি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে বন বিভাগের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি লোকালয়ে বন্যপ্রাণীর প্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
সিলেট অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়েও লোকালয়ে মেছোবাঘ আটকের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগ সাধারণত এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা—দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।