জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দুটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুল।
১৯ আগস্ট সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় শাখা থেকে পৃথক স্মারকের মাধ্যমে এ দুই প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিংবডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৬৪(৪) ধারার আওতায় কমিটি দুটি অনুমোদন করা হয়েছে।
চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন আবু জাকারিয়া মো. আব্দুল বারী।
কমিটির শিক্ষক সদস্য হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফয়জুল ইসলাম। অভিভাবক সদস্য হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন মো. ইসলাম উদ্দিন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকার বলে এডহক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন মো. বাহারুল আলম বাহার।
কমিটির শিক্ষক সদস্য হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুজয় কুমার ঢালী। অভিভাবক সদস্য হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন আলীম উদ্দিন।
এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকও পদাধিকার বলে এডহক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, স্মারক ইস্যুর তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এডহক কমিটির মেয়াদ কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এডহক কমিটিকে অবশ্যই একটি নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হবে।
চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি সংক্রান্ত স্মারকের নম্বর ৩৭.১৪.৯১০০.০০০.৪০০.৮৯.০১০৮.২৬.৯৪৬ এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুলের স্মারকের নম্বর ৩৭.১৪.৯১০০.০০০.৪০০.৮৯.০১০৭.২৬.৯২৫। উভয় স্মারকের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।
চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে দুই প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু মুসা মো. তারেক।
সংশ্লিষ্টদের অবগতির জন্য অনুমোদনপত্রের অনুলিপি জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এডহক কমিটির সভাপতি এবং শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দুটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুল।
১৯ আগস্ট সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় শাখা থেকে পৃথক স্মারকের মাধ্যমে এ দুই প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিংবডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৬৪(৪) ধারার আওতায় কমিটি দুটি অনুমোদন করা হয়েছে।
চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন আবু জাকারিয়া মো. আব্দুল বারী।
কমিটির শিক্ষক সদস্য হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফয়জুল ইসলাম। অভিভাবক সদস্য হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন মো. ইসলাম উদ্দিন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকার বলে এডহক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন মো. বাহারুল আলম বাহার।
কমিটির শিক্ষক সদস্য হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুজয় কুমার ঢালী। অভিভাবক সদস্য হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন আলীম উদ্দিন।
এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকও পদাধিকার বলে এডহক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, স্মারক ইস্যুর তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এডহক কমিটির মেয়াদ কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এডহক কমিটিকে অবশ্যই একটি নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হবে।
চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি সংক্রান্ত স্মারকের নম্বর ৩৭.১৪.৯১০০.০০০.৪০০.৮৯.০১০৮.২৬.৯৪৬ এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ-জুলেখা গার্লস হাই স্কুলের স্মারকের নম্বর ৩৭.১৪.৯১০০.০০০.৪০০.৮৯.০১০৭.২৬.৯২৫। উভয় স্মারকের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।
চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে দুই প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু মুসা মো. তারেক।
সংশ্লিষ্টদের অবগতির জন্য অনুমোদনপত্রের অনুলিপি জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এডহক কমিটির সভাপতি এবং শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।