ছাতক প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের ছাতকে বিভিন্ন মামলায় অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত, চোরাচালান ও মোবাইল কোর্ট মামলার আসামিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নন-জিআর-১৫/১৬ মামলার আসামি টমটম চুরির অভিযোগে মুরসালিন (১৯) নামে এক যুবককে উপজেলার চরমহল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মুরসালিন গাবুরগাঁও গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
এদিকে ছাতক থানার মামলা নম্বর-২৫ (৮)/২০২৬, The Special Powers Act, 1974-এর 25-B(1)(b)(2)/25-D ধারার মামলায় নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষীবাউর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মো. মজিদ (৩৫) ও একই গ্রামের মো. আলা উদ্দিনের ছেলে মো. জুবায়ের (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এসআই আব্দুল জলিল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাধবপুর পাম্পসংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা তল্লাশি করে ১৭০ প্যাকেট ভারতীয় ফুচকা, যার মোট ওজন প্রায় ১৭০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ৩৯ হাজার ১০০ টাকা, উদ্ধার করা হয়। এ সময় রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, মোবাইল কোর্ট মামলা নম্বর-৭৬/২০২৬-এর আসামি পূর্ব নোয়ারাই গ্রামের রমজান আলীর ছেলে জনি আহমদ (২৬), নোয়ারাই গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে মো. মহি উদ্দিন (৩৭) এবং হেলাল উদ্দিনের ছেলে জিয়াউল হক (৩৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে মঙ্গলবার ছাতক থানা থেকে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নোট: ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত সংবাদে ‘অভিযুক্ত’ বা ‘আসামি’ হিসেবে উল্লেখ করাই আইনগতভাবে সঠিক।