Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৮ আগস্ট ২০২৬ · ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ২০২৫ অর্থবছরের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিলের ১০ শতাংশ জমা
ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন।


শ্রমিক কল্যাণ ও দায়িত্বশীল কর্পোরেট কার্যক্রমের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ অর্থ জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রদান করা অর্থ গ্রামীণফোনের ২০২৫ সালের শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ) ১০ শতাংশ।


ঢাকায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর হাতে এ অর্থের চেক হস্তান্তর করে। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার উপস্থিত ছিলেন।


চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়মিতভাবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শুধু আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার বিষয় নয়, বরং দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণেরও একটি অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানও একইভাবে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষায় এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দায়িত্বশীল কর্পোরেট নাগরিক হওয়ার বিষয়টি গ্রামীণফোনের সার্বিক পরিচালন প্রক্রিয়ারই অংশ। প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি শুধু কানেক্টিভিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরিতেও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি বলেন, এমন একটি কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে কর্মীরা নিয়মিত নতুন বিষয় শিখতে, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। এবারের অর্থ প্রদান কর্মী কল্যাণের প্রতি গ্রামীণফোনের দায়িত্ব এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার মাধ্যমে পরিবর্তনশীল ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে কর্মীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।


তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ শ্রম আইনের অধীনে স্থানীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বছর শেষে তাদের মুনাফার ৫ শতাংশের এক-দশমাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়। গ্রামীণফোন যাত্রা শুরুর পর থেকে দায়িত্বশীল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ তহবিলে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী হিসেবে অর্থ দিয়ে আসছে।


প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে মোট ৩২৯ কোটি ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৭ টাকা জমা দিয়েছে। আর ২০২৫ অর্থবছরে আরও ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে।


চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস অ্যান্ড কালচার মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, হেড অব কমপেনসেশন, বেনিফিটস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স মোহাম্মদ খালেদ মৃধা, সিনিয়র ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।


শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে এ ধরনের নিয়মিত অবদান শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন।


শ্রমিক কল্যাণ ও দায়িত্বশীল কর্পোরেট কার্যক্রমের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ অর্থ জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রদান করা অর্থ গ্রামীণফোনের ২০২৫ সালের শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ) ১০ শতাংশ।


ঢাকায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর হাতে এ অর্থের চেক হস্তান্তর করে। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার উপস্থিত ছিলেন।


চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়মিতভাবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শুধু আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার বিষয় নয়, বরং দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণেরও একটি অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানও একইভাবে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষায় এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দায়িত্বশীল কর্পোরেট নাগরিক হওয়ার বিষয়টি গ্রামীণফোনের সার্বিক পরিচালন প্রক্রিয়ারই অংশ। প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি শুধু কানেক্টিভিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরিতেও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি বলেন, এমন একটি কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে কর্মীরা নিয়মিত নতুন বিষয় শিখতে, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। এবারের অর্থ প্রদান কর্মী কল্যাণের প্রতি গ্রামীণফোনের দায়িত্ব এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার মাধ্যমে পরিবর্তনশীল ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে কর্মীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।


তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ শ্রম আইনের অধীনে স্থানীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বছর শেষে তাদের মুনাফার ৫ শতাংশের এক-দশমাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়। গ্রামীণফোন যাত্রা শুরুর পর থেকে দায়িত্বশীল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ তহবিলে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী হিসেবে অর্থ দিয়ে আসছে।


প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে মোট ৩২৯ কোটি ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৭ টাকা জমা দিয়েছে। আর ২০২৫ অর্থবছরে আরও ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে।


চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস অ্যান্ড কালচার মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, হেড অব কমপেনসেশন, বেনিফিটস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স মোহাম্মদ খালেদ মৃধা, সিনিয়র ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।


শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে এ ধরনের নিয়মিত অবদান শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com