১৫ আগস্টকে সামনে রেখে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোপালগঞ্জে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা পুলিশের পাশাপাশি ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, সরকারি স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে।
বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের তিনটি গেট ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, এপিবিএন এবং সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়। টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকাতেও অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা পৌনে ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান ও পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ টহল বের করা হয়। টহলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টুঙ্গিপাড়ার সমাধিসৌধ এলাকায় যায়। পরে টহলটি পুনরায় জেলা শহরে ফিরে এসে শেষ হয়।
জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, “আপনারা জানেন, গোপালগঞ্জ শান্তির জেলা। গত ১ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত এখানে কোনো ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। আগামীকালও (১৫ আগস্ট) আশা করি কিছু হবে না। তারপরও ১৫ আগস্ট জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা যাতে কোনো অবনতি না ঘটে, তার জন্য বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সতর্ক থাকবে।”
জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, ১৫ আগস্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার থেকেই বিজিবি সদস্যরা মাঠে নেমেছেন এবং ১৫ আগস্ট তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন।
১৫ আগস্টকে সামনে রেখে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোপালগঞ্জে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা পুলিশের পাশাপাশি ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, সরকারি স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে।
বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের তিনটি গেট ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, এপিবিএন এবং সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়। টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকাতেও অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা পৌনে ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান ও পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ টহল বের করা হয়। টহলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টুঙ্গিপাড়ার সমাধিসৌধ এলাকায় যায়। পরে টহলটি পুনরায় জেলা শহরে ফিরে এসে শেষ হয়।
জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, “আপনারা জানেন, গোপালগঞ্জ শান্তির জেলা। গত ১ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত এখানে কোনো ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। আগামীকালও (১৫ আগস্ট) আশা করি কিছু হবে না। তারপরও ১৫ আগস্ট জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা যাতে কোনো অবনতি না ঘটে, তার জন্য বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সতর্ক থাকবে।”
জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, ১৫ আগস্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার থেকেই বিজিবি সদস্যরা মাঠে নেমেছেন এবং ১৫ আগস্ট তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন।