Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৪ আগস্ট ২০২৬ · ১১:৫৩ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাটের সড়ক দুর্দশা: উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ অ্যাপয়েন্টমেন্টে অর্থ লেনদেনের দাবি, বিএনপির ওপর একতরফা দায় চাপানোর অভিযোগ
ছবি

রুবেল আহমদঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা ও নামমাত্র সংস্কার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সড়কের কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ভাঙন ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এর পেছনে উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার কাজে অনিয়ম, নিম্নমানের কাজ এবং তদারকির ঘাটতির কারণে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। অনেক সড়কে সংস্কারের কিছুদিনের মধ্যেই ফের গর্ত ও ভাঙন দেখা দিয়েছে।


রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ


উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদের বিরুদ্ধে আওয়ামীপন্থী রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তার ব্যক্তিগত ফাইল ও অতীতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি পর্যালোচনা করলেই তার রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী হাসিব আহমদের বক্তব্য জানা যায়নি।


নিম্নমানের কাজ নিয়ে প্রশ্ন


অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের কাজ করানো হচ্ছে। এর ফলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।


তাদের অভিযোগ, গোয়াইনঘাটের সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থেরও অপচয় হচ্ছে।


মন্ত্রীর সফর ঘিরে তড়িঘড়ি সংস্কারের অভিযোগ


সম্প্রতি মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর গোয়াইনঘাট সফরকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কিংবা তড়িঘড়ি করে কিছু সড়কের গর্ত সংস্কার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও নিয়মিতভাবে কাজ না করে বিশেষ সফরকে কেন্দ্র করে লোকদেখানো সংস্কার করা হয়েছে।


এতে সড়কের স্থায়ী উন্নয়ন না হয়ে সাময়িকভাবে গর্ত ভরাটের মধ্যেই কাজ সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।


তদন্ত ও প্রত্যাহারের দাবি


গোয়াইনঘাটের সাধারণ মানুষ ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অভিযোগকারীরা বলছেন, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও যদি অল্প সময়ের মধ্যে সড়ক নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজের মান ও তদারকি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।


তাদের দাবি, উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদকে অবিলম্বে গোয়াইনঘাট থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে উপজেলার প্রতিটি সড়ক প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, গোয়াইনঘাটের মানুষ উন্নয়ন চায়; তারা কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা সরকারি অর্থের অপচয় দেখতে চায় না।

রুবেল আহমদঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা ও নামমাত্র সংস্কার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সড়কের কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ভাঙন ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এর পেছনে উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার কাজে অনিয়ম, নিম্নমানের কাজ এবং তদারকির ঘাটতির কারণে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। অনেক সড়কে সংস্কারের কিছুদিনের মধ্যেই ফের গর্ত ও ভাঙন দেখা দিয়েছে।


রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ


উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদের বিরুদ্ধে আওয়ামীপন্থী রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তার ব্যক্তিগত ফাইল ও অতীতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি পর্যালোচনা করলেই তার রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী হাসিব আহমদের বক্তব্য জানা যায়নি।


নিম্নমানের কাজ নিয়ে প্রশ্ন


অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের কাজ করানো হচ্ছে। এর ফলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।


তাদের অভিযোগ, গোয়াইনঘাটের সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থেরও অপচয় হচ্ছে।


মন্ত্রীর সফর ঘিরে তড়িঘড়ি সংস্কারের অভিযোগ


সম্প্রতি মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর গোয়াইনঘাট সফরকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কিংবা তড়িঘড়ি করে কিছু সড়কের গর্ত সংস্কার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও নিয়মিতভাবে কাজ না করে বিশেষ সফরকে কেন্দ্র করে লোকদেখানো সংস্কার করা হয়েছে।


এতে সড়কের স্থায়ী উন্নয়ন না হয়ে সাময়িকভাবে গর্ত ভরাটের মধ্যেই কাজ সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।


তদন্ত ও প্রত্যাহারের দাবি


গোয়াইনঘাটের সাধারণ মানুষ ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অভিযোগকারীরা বলছেন, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও যদি অল্প সময়ের মধ্যে সড়ক নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজের মান ও তদারকি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।


তাদের দাবি, উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদকে অবিলম্বে গোয়াইনঘাট থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে উপজেলার প্রতিটি সড়ক প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, গোয়াইনঘাটের মানুষ উন্নয়ন চায়; তারা কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা সরকারি অর্থের অপচয় দেখতে চায় না।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com