Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৪ আগস্ট ২০২৬ · ১১:২৯ অপরাহ্ন

রায়নগরের নিকুঞ্জ ভিলায় ট্রিপল হত্যা: দাফন সম্পন্ন, থানায় অভিযোগ করবেন নিহতদের ছেলে

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সিলেট মহানগরীর রায়নগর এলাকার মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা ‘নিকুঞ্জ ভিলা’য় নির্মম ট্রিপল হত্যাকাণ্ডে নিহত দম্পতি মো. আব্দুস সাত্তার (৮২) ও সুরাইয়া বেগমের (৭৬) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।


শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আসরের নামাজের পর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ ময়দানে নিহত আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মহানগরীর মানিক পীরের টিলায় তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।


এদিকে নিহত দম্পতির দাফন শেষ করে তাদের যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ছেলে আরিফ ইফতেখার সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে।


এর আগে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইটে সিলেটে এসে পৌঁছান নিহত দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার। সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বাসায় গিয়ে তিনি নিহত মা-বাবাকে শেষবারের মতো দেখেন।


এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নিহত দম্পতির দুই মেয়ে দেশে পৌঁছান। তাদের ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ৯টায় অবতরণের কথা থাকলেও বিলম্বের কারণে দুপুর দেড়টার দিকে সিলেটে এসে পৌঁছায়। পরে সিলেট বিমানবন্দর থেকে তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। ময়নাতদন্ত শেষে সেখান থেকে মো. আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের মরদেহ রায়নগরের নিজস্ব বাসভবনে নেওয়া হয়।


জানা যায়, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা ‘নিকুঞ্জ ভিলায়’ ট্রিপল হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—বিয়ানীবাজারের আখাখাজনা এলাকার মৃত আবরু মিয়ার ছেলে এবং রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) এবং তাদের গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)। পরে পুলিশ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।


পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার একটি কলোনি থেকে অভিযুক্ত বাবুল মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।


পুলিশের দাবি, বাবুল মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে বাবুল মিয়ার দেখানো স্থান থেকে ছোরাটি উদ্ধার করে পুলিশ।


বাবুল মিয়া গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পূর্বপরিচিত হওয়ায় বুধবার বাবুল মিয়া ওই বাড়িতে যান। দরজায় নক করলে গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেন।


পরে একটি কক্ষে গিয়ে বাবুল মিয়া তাহমিনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চান। কিন্তু তাহমিনা এতে অমত প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল মিয়া ছুরি দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করেন। এ সময় সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তার সঙ্গে বাবুল মিয়ার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে তিনজনকে হত্যার পর বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি রায়নগর এলাকায় নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ গঠিত বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।


ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত দম্পতির দাফন সম্পন্ন হলেও নিকুঞ্জ ভিলার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

সিলেট মহানগরীর রায়নগর এলাকার মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা ‘নিকুঞ্জ ভিলা’য় নির্মম ট্রিপল হত্যাকাণ্ডে নিহত দম্পতি মো. আব্দুস সাত্তার (৮২) ও সুরাইয়া বেগমের (৭৬) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।


শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আসরের নামাজের পর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ ময়দানে নিহত আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মহানগরীর মানিক পীরের টিলায় তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।


এদিকে নিহত দম্পতির দাফন শেষ করে তাদের যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ছেলে আরিফ ইফতেখার সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে।


এর আগে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইটে সিলেটে এসে পৌঁছান নিহত দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার। সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বাসায় গিয়ে তিনি নিহত মা-বাবাকে শেষবারের মতো দেখেন।


এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নিহত দম্পতির দুই মেয়ে দেশে পৌঁছান। তাদের ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ৯টায় অবতরণের কথা থাকলেও বিলম্বের কারণে দুপুর দেড়টার দিকে সিলেটে এসে পৌঁছায়। পরে সিলেট বিমানবন্দর থেকে তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। ময়নাতদন্ত শেষে সেখান থেকে মো. আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের মরদেহ রায়নগরের নিজস্ব বাসভবনে নেওয়া হয়।


জানা যায়, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা ‘নিকুঞ্জ ভিলায়’ ট্রিপল হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—বিয়ানীবাজারের আখাখাজনা এলাকার মৃত আবরু মিয়ার ছেলে এবং রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) এবং তাদের গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)। পরে পুলিশ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।


পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার একটি কলোনি থেকে অভিযুক্ত বাবুল মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।


পুলিশের দাবি, বাবুল মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে বাবুল মিয়ার দেখানো স্থান থেকে ছোরাটি উদ্ধার করে পুলিশ।


বাবুল মিয়া গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পূর্বপরিচিত হওয়ায় বুধবার বাবুল মিয়া ওই বাড়িতে যান। দরজায় নক করলে গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেন।


পরে একটি কক্ষে গিয়ে বাবুল মিয়া তাহমিনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চান। কিন্তু তাহমিনা এতে অমত প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল মিয়া ছুরি দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করেন। এ সময় সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তার সঙ্গে বাবুল মিয়ার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে তিনজনকে হত্যার পর বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি রায়নগর এলাকায় নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ গঠিত বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।


ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত দম্পতির দাফন সম্পন্ন হলেও নিকুঞ্জ ভিলার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com