Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৪ আগস্ট ২০২৬ · ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

ডেস্ক নিউজ:

দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ এবং কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ নতুন কয়েকটি খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুকের (Han Eunsook) নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি সাক্ষাতে অংশ নেয়। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।


সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে। দুই দেশের মধ্যে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে এম্প্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (EPS) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক কল্যাণকর কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে কোরিয়ার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।


তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ইপিএসের অন্যতম প্রধান কর্মী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এ অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ এবং কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহী।


এ ছাড়া কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ অতিরিক্ত কিছু খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সদয় বিবেচনার জন্য প্রত্যাশা করেন তিনি।


আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুক বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া মূলত ইপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে বিদেশি কর্মী গ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যেমন আন্তরিক, তেমনি কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ রাখার বিষয়েও তারা সমানভাবে সতর্ক।


ইপিএস পদ্ধতির স্বচ্ছতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন হান উনসুক।


সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেস্ক নিউজ:

দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ এবং কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ নতুন কয়েকটি খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুকের (Han Eunsook) নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি সাক্ষাতে অংশ নেয়। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।


সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে। দুই দেশের মধ্যে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে এম্প্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (EPS) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক কল্যাণকর কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে কোরিয়ার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।


তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ইপিএসের অন্যতম প্রধান কর্মী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এ অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ এবং কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহী।


এ ছাড়া কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ অতিরিক্ত কিছু খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সদয় বিবেচনার জন্য প্রত্যাশা করেন তিনি।


আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুক বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া মূলত ইপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে বিদেশি কর্মী গ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যেমন আন্তরিক, তেমনি কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ রাখার বিষয়েও তারা সমানভাবে সতর্ক।


ইপিএস পদ্ধতির স্বচ্ছতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন হান উনসুক।


সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com