বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেছেন, হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শই মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তিনি বলেন, বিশ্ব ইতিহাসে হজরত মুহাম্মদ (সা.) একজন অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানুষ ও মহান আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। আরবের জাহেলিয়া বা অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে তিনি মানবতার মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে সমগ্র বিশ্বের জন্য ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে প্রেরণ করেছেন।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা। জন্মের আগেই তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি মাকেও হারান। পরে তাঁর দাদা আবদুল মুত্তালিব ও চাচার তত্ত্বাবধানে তাঁর শৈশব অতিবাহিত হয়।
শৈশব থেকেই মহানবী (সা.) শান্ত-শিষ্ট ও জাহেলিয়াতের কলুষমুক্ত ছিলেন। কৈশোরে সমকালীন আরব সমাজের মারামারি, হানাহানি ও অন্যায় দেখে তিনি ব্যথিত হন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আর্ত-পীড়িত মানুষের সেবার লক্ষ্যে সমবয়সী তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামে একটি শান্তিসংঘ গঠন করেন। অন্যায় যুদ্ধ বন্ধে এ উদ্যোগ সব যুগের তরুণদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
পরবর্তীতে মানবতার মুক্তির সন্ধানে তিনি মক্কার অদূরে হেরা গুহায় নির্জনে ধ্যানমগ্ন হন। সেখানেই জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি লাভ করেন এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল হিসেবে মনোনীত হন। তাঁর ওপর আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়। এরপর তিনি তাওহিদের বাণী ও মানবমুক্তির পথনির্দেশ নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যান।
তাঁর এই সত্য ও ন্যায়ের আহ্বানের বিরুদ্ধে তৎকালীন অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের একটি অংশ অত্যাচার, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কিন্তু মহানবী (সা.) সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকেন। তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য, মহান আল্লাহর নির্দেশনা ও মানবকল্যাণের আদর্শের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেন। ফলে আরব সমাজে জাহেলিয়ার অন্ধকার দূর হয়ে সত্য ও ন্যায়ের আলো প্রতিষ্ঠিত হয়।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনে সততা, ধৈর্য, সহনশীলতা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতার মতো সব সদগুণের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ অনুসরণযোগ্য। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁর জীবনকে উত্তম আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পারিবারিক জীবনেও মহানবী (সা.) ছিলেন অনুকরণীয়। তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল অভিভাবক ও আদর্শ স্বামী। স্ত্রীদের অধিকার যথাযথভাবে পালন এবং তাঁদের সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ রাখার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।’ একইভাবে তিনি ছিলেন স্নেহপরায়ণ পিতা এবং সন্তানদের মধ্যে বৈষম্য না করার শিক্ষা দিয়েছেন।
সমাজজীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের অধিকার আদায়ের প্রতি তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রতিবেশীর প্রতি সদাচরণ এবং অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, দাসপ্রথা বিলোপ এবং কৌলিন্যভিত্তিক বৈষম্য দূর করে সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাঁর আদর্শ অনুকরণীয়।
রাষ্ট্রব্যবস্থায় মহানবী (সা.) ছিলেন ন্যায় ও উদারতার প্রতীক। মদিনায় প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জানমাল, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে নয়, বরং আইনের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান নীতি। তিনি ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বকে প্রশ্রয় দেননি।
ভিন্ন ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতিও মহানবী (সা.) ছিলেন সহানুভূতিশীল ও সহমর্মী। যুদ্ধবন্দীদের সঙ্গে সদাচরণ, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি উদারতা এবং মদিনায় বহুধর্মীয় সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
তিনি ছিলেন দয়া ও ক্ষমার মূর্তপ্রতীক। যারা তাঁকে নির্যাতন করেছে, মাতৃভূমি মক্কা থেকে বিতাড়িত করেছে, বিজয়ের সময় তাদের অনেককেই সাধারণ ক্ষমা করে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে ক্ষমা ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, মহানবী (সা.)-এর অনুপম চরিত্র ও জীবনাদর্শ সংঘাতপূর্ণ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথনির্দেশ হতে পারে। ব্যক্তি ও সামষ্টিক জীবনে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলে ন্যায়, মানবিকতা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তিনি মহান আল্লাহর কাছে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ ও তা অনুযায়ী আমল করার তাওফিক কামনা করেন।
লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। তিনি জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম, সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়া তিনি সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ (রহ.) মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব, হযরত শাহজালাল (রহ.) ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, উপশহর, সিলেটের সাবেক প্রিন্সিপাল এবং হযরত শাহজালাল (রহ.) লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দক্ষিণ সুরমা, সিলেটের সাবেক প্রধান শিক্ষক।
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেছেন, হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শই মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তিনি বলেন, বিশ্ব ইতিহাসে হজরত মুহাম্মদ (সা.) একজন অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানুষ ও মহান আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। আরবের জাহেলিয়া বা অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে তিনি মানবতার মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে সমগ্র বিশ্বের জন্য ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে প্রেরণ করেছেন।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা। জন্মের আগেই তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি মাকেও হারান। পরে তাঁর দাদা আবদুল মুত্তালিব ও চাচার তত্ত্বাবধানে তাঁর শৈশব অতিবাহিত হয়।
শৈশব থেকেই মহানবী (সা.) শান্ত-শিষ্ট ও জাহেলিয়াতের কলুষমুক্ত ছিলেন। কৈশোরে সমকালীন আরব সমাজের মারামারি, হানাহানি ও অন্যায় দেখে তিনি ব্যথিত হন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আর্ত-পীড়িত মানুষের সেবার লক্ষ্যে সমবয়সী তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামে একটি শান্তিসংঘ গঠন করেন। অন্যায় যুদ্ধ বন্ধে এ উদ্যোগ সব যুগের তরুণদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
পরবর্তীতে মানবতার মুক্তির সন্ধানে তিনি মক্কার অদূরে হেরা গুহায় নির্জনে ধ্যানমগ্ন হন। সেখানেই জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি লাভ করেন এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল হিসেবে মনোনীত হন। তাঁর ওপর আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়। এরপর তিনি তাওহিদের বাণী ও মানবমুক্তির পথনির্দেশ নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যান।
তাঁর এই সত্য ও ন্যায়ের আহ্বানের বিরুদ্ধে তৎকালীন অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের একটি অংশ অত্যাচার, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কিন্তু মহানবী (সা.) সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকেন। তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য, মহান আল্লাহর নির্দেশনা ও মানবকল্যাণের আদর্শের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেন। ফলে আরব সমাজে জাহেলিয়ার অন্ধকার দূর হয়ে সত্য ও ন্যায়ের আলো প্রতিষ্ঠিত হয়।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনে সততা, ধৈর্য, সহনশীলতা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতার মতো সব সদগুণের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ অনুসরণযোগ্য। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁর জীবনকে উত্তম আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পারিবারিক জীবনেও মহানবী (সা.) ছিলেন অনুকরণীয়। তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল অভিভাবক ও আদর্শ স্বামী। স্ত্রীদের অধিকার যথাযথভাবে পালন এবং তাঁদের সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ রাখার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।’ একইভাবে তিনি ছিলেন স্নেহপরায়ণ পিতা এবং সন্তানদের মধ্যে বৈষম্য না করার শিক্ষা দিয়েছেন।
সমাজজীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের অধিকার আদায়ের প্রতি তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রতিবেশীর প্রতি সদাচরণ এবং অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, দাসপ্রথা বিলোপ এবং কৌলিন্যভিত্তিক বৈষম্য দূর করে সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাঁর আদর্শ অনুকরণীয়।
রাষ্ট্রব্যবস্থায় মহানবী (সা.) ছিলেন ন্যায় ও উদারতার প্রতীক। মদিনায় প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জানমাল, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে নয়, বরং আইনের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান নীতি। তিনি ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বকে প্রশ্রয় দেননি।
ভিন্ন ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতিও মহানবী (সা.) ছিলেন সহানুভূতিশীল ও সহমর্মী। যুদ্ধবন্দীদের সঙ্গে সদাচরণ, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি উদারতা এবং মদিনায় বহুধর্মীয় সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
তিনি ছিলেন দয়া ও ক্ষমার মূর্তপ্রতীক। যারা তাঁকে নির্যাতন করেছে, মাতৃভূমি মক্কা থেকে বিতাড়িত করেছে, বিজয়ের সময় তাদের অনেককেই সাধারণ ক্ষমা করে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে ক্ষমা ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, মহানবী (সা.)-এর অনুপম চরিত্র ও জীবনাদর্শ সংঘাতপূর্ণ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথনির্দেশ হতে পারে। ব্যক্তি ও সামষ্টিক জীবনে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলে ন্যায়, মানবিকতা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তিনি মহান আল্লাহর কাছে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ ও তা অনুযায়ী আমল করার তাওফিক কামনা করেন।
লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। তিনি জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম, সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়া তিনি সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ (রহ.) মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব, হযরত শাহজালাল (রহ.) ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, উপশহর, সিলেটের সাবেক প্রিন্সিপাল এবং হযরত শাহজালাল (রহ.) লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দক্ষিণ সুরমা, সিলেটের সাবেক প্রধান শিক্ষক।