সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে কামরুল ইসলাম হত্যা মামলার চার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানায়, নিহত কামরুল ইসলাম সিলেটের গোয়াইনঘাট থানাধীন লেংগুড়া এলাকার বাসিন্দা। মামলার আসামিরাও একই এলাকার বাসিন্দা। কামরুল ইসলাম ও ১ নম্বর বিবাদী বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রায় ৬/৭ মাস আগে ব্যবসায়িক বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করেন।
এ ঘটনায় কামরুল ইসলামের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য ১ নম্বর বিবাদী বিলাল উদ্দিন কামরুল ইসলামকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে র্যাব জানায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীতে ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার পথে লেংগুড়া কবরস্থানে পৌঁছালে ১ নম্বর বিবাদী তার পথরোধ করেন। এ সময় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তার ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়। কামরুল ইসলাম এতে অস্বীকৃতি জানালে ১ নম্বর বিবাদীর ডাকে অন্য বিবাদীরা ঘটনাস্থলে এসে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে আসামিরা কামরুল ইসলামকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
র্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি অভিযানিক দল এসএমপি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় গোয়াইনঘাট থানার মামলা নং-২৬, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬, দণ্ডবিধির ১৪৩/৩৪১/৩০২/১১৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় ৩, ৪, ৫ ও ৭ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—আব্দুর ছোবহান (৫৪), পিতা-মৃত আব্দুল করিম; বদরুল ইসলাম (৩৪), পিতা-ছমছুল ইসলাম; আজাদুর রহমান (৩২), পিতা-জয়ন উদ্দিন এবং ময়নুল ইসলাম (৪০), পিতা-মৃত আব্দুস ছালাম। তাদের সবার ঠিকানা লেংগুড়া, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট।
গ্রেপ্তার আসামিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে কামরুল ইসলাম হত্যা মামলার চার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানায়, নিহত কামরুল ইসলাম সিলেটের গোয়াইনঘাট থানাধীন লেংগুড়া এলাকার বাসিন্দা। মামলার আসামিরাও একই এলাকার বাসিন্দা। কামরুল ইসলাম ও ১ নম্বর বিবাদী বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রায় ৬/৭ মাস আগে ব্যবসায়িক বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করেন।
এ ঘটনায় কামরুল ইসলামের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য ১ নম্বর বিবাদী বিলাল উদ্দিন কামরুল ইসলামকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে র্যাব জানায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীতে ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার পথে লেংগুড়া কবরস্থানে পৌঁছালে ১ নম্বর বিবাদী তার পথরোধ করেন। এ সময় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তার ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়। কামরুল ইসলাম এতে অস্বীকৃতি জানালে ১ নম্বর বিবাদীর ডাকে অন্য বিবাদীরা ঘটনাস্থলে এসে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে আসামিরা কামরুল ইসলামকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
র্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি অভিযানিক দল এসএমপি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় গোয়াইনঘাট থানার মামলা নং-২৬, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬, দণ্ডবিধির ১৪৩/৩৪১/৩০২/১১৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় ৩, ৪, ৫ ও ৭ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—আব্দুর ছোবহান (৫৪), পিতা-মৃত আব্দুল করিম; বদরুল ইসলাম (৩৪), পিতা-ছমছুল ইসলাম; আজাদুর রহমান (৩২), পিতা-জয়ন উদ্দিন এবং ময়নুল ইসলাম (৪০), পিতা-মৃত আব্দুস ছালাম। তাদের সবার ঠিকানা লেংগুড়া, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট।
গ্রেপ্তার আসামিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।