সিলেটের কালিঘাট এলাকায় মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করা হয় এবং মোট ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার পাল-এর নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০-এর আওতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোট ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার পাল বলেন, "জনস্বার্থে নিরাপদ ও মানসম্মত মৎস্যখাদ্য এবং পশুখাদ্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালিত হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সিলেটের কালিঘাট এলাকায় মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করা হয় এবং মোট ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার পাল-এর নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০-এর আওতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোট ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার পাল বলেন, "জনস্বার্থে নিরাপদ ও মানসম্মত মৎস্যখাদ্য এবং পশুখাদ্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালিত হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।