শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ১৬৯ জন কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত এসব কৃষক সরকারি নির্ধারিত দামে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে এ উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার আটটি ইউনিয়নের মোট ৪ হাজার ২০৮ জন আবেদনকারী কৃষকের মধ্য থেকে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ১৬৯ জন কৃষক নির্বাচিত হন।
লটারি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আবদুর রব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, এলএসডি কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিন, জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন, পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈম, সদস্য মহির উদ্দিন মহির, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাদির জিলানী, যুবদল নেতা আবুল লেইছ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাসুম আহমদ, শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল কবির, সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হকসহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত ১৬৯ জন কৃষকের কাছ থেকে প্রতি মণ ১ হাজার ৪৪০ টাকা দরে মোট ৫০৭ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার। এর আগে প্রথম ধাপে উপজেলার ৭৩১ জন কৃষকের কাছ থেকে ২ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে ৫৬২ জন কৃষক মোট ১ হাজার ৬৮৮ মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করেন। ফলে ১৬৯ জন কৃষক ধান সরবরাহ না করায় ৫০৭ মেট্রিক টন ধানের ঘাটতি সৃষ্টি হয়। সেই ঘাটতি পূরণে দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে লটারির মাধ্যমে ১৬৯ জন কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, শিমুলবাক ইউনিয়নের ৫৬৫ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ২০ জন, জয়কলস ইউনিয়নের ১ হাজার ২৫২ জনের মধ্য থেকে ২৫ জন, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ৪৫২ জনের মধ্য থেকে ১০ জন, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের ২৫৫ জনের মধ্য থেকে ২১ জন, দরগাপাশা ইউনিয়নের ৩৪২ জনের মধ্য থেকে ২১ জন, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ৪৬০ জনের মধ্য থেকে ২০ জন, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের ৩৯৩ জনের মধ্য থেকে ২৫ জন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের ৪৯০ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ২৭ জন কৃষক লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন।