Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১২ জুলাই ২০২৬ · ০১:৪০ পূর্বাহ্ন

দুই পক্ষের বিরোধে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে নির্মাণাধীন প্রেসক্লাব ভবনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের দুই পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধের জেরে ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভবনের অবশিষ্ট নির্মাণকাজ সম্পন্ন এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এটি উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে থাকবে।


শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইসলাম উদ্দিন উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুই পক্ষের কাছ থেকে ভবনের তালার চাবি গ্রহণ করে ভবনটি প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।


জানা গেছে, গত ২ জুলাই নির্মাণাধীন প্রেসক্লাব ভবনে একাংশের জোরপূর্বক প্রবেশ ও দখলচেষ্টার অভিযোগ এনে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি সামিউল কবির ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীর উদ্যোগে সরকারি বরাদ্দের ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সৌরভ এন্টারপ্রাইজ ভবনটির একতলার প্রায় ৯০ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। তবে দরজা-জানালা, টাইলস, রং ও বাথরুমসহ কিছু কাজ এখনও অসমাপ্ত রয়েছে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটি এখনো জেলা প্রশাসন বা উপজেলা প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেনি।


সূত্র জানায়, ভবনটির নির্মাণকাজ চলাকালে শান্তিগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা সম্মিলিতভাবে এর তদারকি ও কার্যক্রম পরিচালনা করলেও পরবর্তীতে মতবিরোধের কারণে তারা দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত হন। বিভক্ত হওয়ার পরও সরকারি অর্থায়নে নির্মিত ভবনটির ওপর উভয় পক্ষই নিজেদের অংশীদারিত্বের দাবি করে আসছেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি দাবিদার সুহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক দাবিদার হোসাইন আহমদের নেতৃত্বে অপর পক্ষের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা সমন্বয় ছাড়াই ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে সেখানে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয় এবং ভবনটি দখলের চেষ্টা চালানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।


পরে স্থানীয় শান্তিগঞ্জ বাজার কমিটির নেতারা বিষয়টির সামাজিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি।


পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করে। যেহেতু ভবনটি সরকারি অর্থায়নে নির্মাণাধীন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি এবং কিছু নির্মাণকাজও বাকি রয়েছে, তাই অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন ও বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, “ভবনটি সরকারি সম্পত্তি। এর কিছু নির্মাণকাজ এখনও বাকি রয়েছে এবং সাংবাদিকদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধও চলমান। তাই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে।”

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে নির্মাণাধীন প্রেসক্লাব ভবনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের দুই পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধের জেরে ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভবনের অবশিষ্ট নির্মাণকাজ সম্পন্ন এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এটি উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে থাকবে।


শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইসলাম উদ্দিন উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুই পক্ষের কাছ থেকে ভবনের তালার চাবি গ্রহণ করে ভবনটি প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।


জানা গেছে, গত ২ জুলাই নির্মাণাধীন প্রেসক্লাব ভবনে একাংশের জোরপূর্বক প্রবেশ ও দখলচেষ্টার অভিযোগ এনে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি সামিউল কবির ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীর উদ্যোগে সরকারি বরাদ্দের ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সৌরভ এন্টারপ্রাইজ ভবনটির একতলার প্রায় ৯০ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। তবে দরজা-জানালা, টাইলস, রং ও বাথরুমসহ কিছু কাজ এখনও অসমাপ্ত রয়েছে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটি এখনো জেলা প্রশাসন বা উপজেলা প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেনি।


সূত্র জানায়, ভবনটির নির্মাণকাজ চলাকালে শান্তিগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা সম্মিলিতভাবে এর তদারকি ও কার্যক্রম পরিচালনা করলেও পরবর্তীতে মতবিরোধের কারণে তারা দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত হন। বিভক্ত হওয়ার পরও সরকারি অর্থায়নে নির্মিত ভবনটির ওপর উভয় পক্ষই নিজেদের অংশীদারিত্বের দাবি করে আসছেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি দাবিদার সুহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক দাবিদার হোসাইন আহমদের নেতৃত্বে অপর পক্ষের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা সমন্বয় ছাড়াই ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে সেখানে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয় এবং ভবনটি দখলের চেষ্টা চালানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।


পরে স্থানীয় শান্তিগঞ্জ বাজার কমিটির নেতারা বিষয়টির সামাজিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি।


পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করে। যেহেতু ভবনটি সরকারি অর্থায়নে নির্মাণাধীন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি এবং কিছু নির্মাণকাজও বাকি রয়েছে, তাই অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন ও বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, “ভবনটি সরকারি সম্পত্তি। এর কিছু নির্মাণকাজ এখনও বাকি রয়েছে এবং সাংবাদিকদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধও চলমান। তাই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভবনটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে।”

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com