Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১০ জুলাই ২০২৬ · ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

জগন্নাথপুরের আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রতারণা মামলা: দুই ভাই কারাগারে

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

মো. মুকিম উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বহুল আলোচিত প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।


এর আগে, ৮ জুলাই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হলে অভিযুক্ত দুই ভাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।


আসামি ইয়াকুব ও ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।


মামলাটির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি চিহ্নিত করে এর আগে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মামলার অন্যতম আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এনামুল হাসানের দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে তাদের আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি।


ফৌজদারি রিভিশন মামলা নং-৮৮/২০২০-এর রায়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার জি.আর. মামলা নং-৭৭/২০১৯-এ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ নভেম্বর ২০২০ সালের আদেশ বাতিল করেন। একই সঙ্গে মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।


রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মামলার আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম তার ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের বিষয়ে এনামুল হাসানের ভাই ইসমাইল ও ইয়াকুব অবগত ছিলেন। আদালতের মতে, এ তথ্য তদন্তে উঠে আসার পরও তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি।


এ ছাড়া আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার অভিযোগের প্রকৃতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা সংযুক্ত করার বিষয়টিও তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবেচনায় নেননি। আত্মসাৎ হওয়া প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার না হওয়া এবং ওই অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।


মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদের অভিযোগ, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করলে তিনি নারাজি আবেদন করেন। পরে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন।


সব দিক বিবেচনা করে আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন এবং নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বশেষ আদালত দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মো. মুকিম উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বহুল আলোচিত প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।


এর আগে, ৮ জুলাই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হলে অভিযুক্ত দুই ভাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।


আসামি ইয়াকুব ও ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।


মামলাটির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি চিহ্নিত করে এর আগে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মামলার অন্যতম আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এনামুল হাসানের দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে তাদের আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি।


ফৌজদারি রিভিশন মামলা নং-৮৮/২০২০-এর রায়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার জি.আর. মামলা নং-৭৭/২০১৯-এ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ নভেম্বর ২০২০ সালের আদেশ বাতিল করেন। একই সঙ্গে মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।


রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মামলার আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম তার ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের বিষয়ে এনামুল হাসানের ভাই ইসমাইল ও ইয়াকুব অবগত ছিলেন। আদালতের মতে, এ তথ্য তদন্তে উঠে আসার পরও তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি।


এ ছাড়া আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার অভিযোগের প্রকৃতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা সংযুক্ত করার বিষয়টিও তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবেচনায় নেননি। আত্মসাৎ হওয়া প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার না হওয়া এবং ওই অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।


মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদের অভিযোগ, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করলে তিনি নারাজি আবেদন করেন। পরে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন।


সব দিক বিবেচনা করে আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন এবং নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বশেষ আদালত দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com