সেলিম মাহবুব, ছাতক:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সৈদেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির অনুমোদিত শিক্ষক পদ পাঁচটি। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি পদ শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় চারজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) থেকে সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশ ডেপুটেশনে বুড়াইগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করায় বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা নেমে এসেছে তিনজনে।
এদিকে কর্মরত তিন শিক্ষকের একজন মাওলানা কবির আহমদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। ফলে কার্যত মাত্র দুইজন শিক্ষক দিয়েই বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসন এবং ডেপুটেশনে যাওয়া শিক্ষকের পরিবর্তে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা জাহান বলেন, “সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশের বদলি বা ডেপুটেশনের বিষয়ে আমার আগে জানা ছিল না। তিনি আজ বিদ্যালয়ে আসেননি। একদিকে বিদ্যালয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ, অন্যদিকে শিক্ষক সংকট। বর্তমানে কর্মরত এই তিনজন শিক্ষক নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।”
সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশ বলেন, “আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেই ডেপুটেশনে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছি।”
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির দাতা সদস্য গয়াছ মিয়া তালুকদার বলেন, প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। গ্রামের মুরব্বি ও প্রস্তাবিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী সৈয়দ সামছুল ইসলাম কয়েছ বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে গ্রামের সবার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনুকুল চন্দ্র দাস বলেন, বিদ্যালয়ের যাতায়াত সমস্যার পাশাপাশি শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
ছাতক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান আহমদ বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেখভাল করা আমার দায়িত্ব। সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করছি, শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।”
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় শিক্ষক পদায়ন বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।
সেলিম মাহবুব, ছাতক:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সৈদেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির অনুমোদিত শিক্ষক পদ পাঁচটি। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি পদ শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় চারজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) থেকে সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশ ডেপুটেশনে বুড়াইগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করায় বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা নেমে এসেছে তিনজনে।
এদিকে কর্মরত তিন শিক্ষকের একজন মাওলানা কবির আহমদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। ফলে কার্যত মাত্র দুইজন শিক্ষক দিয়েই বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসন এবং ডেপুটেশনে যাওয়া শিক্ষকের পরিবর্তে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা জাহান বলেন, “সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশের বদলি বা ডেপুটেশনের বিষয়ে আমার আগে জানা ছিল না। তিনি আজ বিদ্যালয়ে আসেননি। একদিকে বিদ্যালয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ, অন্যদিকে শিক্ষক সংকট। বর্তমানে কর্মরত এই তিনজন শিক্ষক নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।”
সহকারী শিক্ষিকা ইমা দাশ বলেন, “আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেই ডেপুটেশনে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছি।”
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির দাতা সদস্য গয়াছ মিয়া তালুকদার বলেন, প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। গ্রামের মুরব্বি ও প্রস্তাবিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী সৈয়দ সামছুল ইসলাম কয়েছ বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে গ্রামের সবার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনুকুল চন্দ্র দাস বলেন, বিদ্যালয়ের যাতায়াত সমস্যার পাশাপাশি শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
ছাতক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান আহমদ বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেখভাল করা আমার দায়িত্ব। সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করছি, শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।”
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় শিক্ষক পদায়ন বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।