প্রেস বিজ্ঞপ্তি:;
সম্প্রতি সুনামগঞ্জের একটি স্থানীয় পত্রিকাসহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবর এবং 'সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস সুনামগঞ্জ জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলন' নামক ব্যানারে প্রচারিত একটি স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদগুলো এবং স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মহোদয়ের সম্মানহানি করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য দেয়া হয়েছে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন নিয়ে জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার(০২ জুলাই) সুবিপ্রবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) নিয়াজ আব্দুল্লাহ সাক্ষরিত লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ ও সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানায়।
প্রচারিত এবং উল্লেখিত মিথ্যা দাবিসমূহের বিপরীতে প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১। ক্যাম্পাসের স্থান নির্ধারণ প্রসঙ্গে: বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থান ও এর ভূমির পরিমাণ নির্ধারণ একটি দীর্ঘ ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া, যা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। উপাচার্য মহোদয়কে এখানে দোষারোপ করার সুযোগ নেই। উপাচার্য মহোদয় সরকারের সিদ্ধান্ত ও উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে বন্ধ পরিকর এবং তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
২। নিয়োগ সংক্রান্ত মিথ্যাচার: উপাচার্যের বিরুদ্ধে জনবল নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বর্তমান উপাচার্যের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগকৃত জনবলের (০১ জন শিক্ষক, ০৪ জন কর্মচারী) নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইনসম্মত, উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি এবং ইউজিসি ও সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে মেধার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।
৩। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করার দাবি অসত্য: সুনামগঞ্জ বা সিলেট বিভাগের যোগ্য প্রার্থীদের ইন্টারভিউ কার্ড দেওয়া হয়নি-এই দাবিটি সম্পূর্ণ মনগড়া। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারী সকল যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়ম অনুযায়ী মূল্যায়িত করা হয়েছে এবং এখানে আঞ্চলিকতার কোনো বৈষম্য করার সুযোগ নেই। এ সম্পর্কিত কোন অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট কেউ উত্থাপন করে নাই।
৪। উপাচার্যের কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ মিথ্যা: উপাচার্য মহোদয় নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক একাডেমিক কার্যক্রম গতিশীল রাখার জন্য নিরলস কাজ যাচ্ছেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হওয়া তো দূরের কথা, বরং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় জাতীয় ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট ইনভাইটেশন এর ভিত্তিতে এবং সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে অফিস আদেশ মাধ্যমে তিনি ঢাকাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট গন্তব্যে গমন করেন। তাছাড়াও তাঁকে UGC এর সম্মানিত সদস্য (খণ্ডকালীন) হওয়ায় সেখানে বিভিন্ন নিয়োগ বোর্ড এবং মিটিং এ উপস্থিত থাকতে হয়। আরো উল্লেখ্য যে, উনি প্রায়শই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের স্বার্থে রাত অবধি এবং বন্ধের দিনও অফিসে অবস্থান করেন।
৫। প্রত্যাখাত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সাথে সম্পৃক্ততা: এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অপ্রাসঙ্গিক। একজন উপাচার্যের দায়িত্ব হলো পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একত্রে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন তরান্বিত করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কখন নিয়োগ পেয়েছেন, সেটি মুখ্য নয়, বরং তিনি তাঁর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কিনা, সেটিই পুরুত্বপূর্ণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে নিয়ে কাজ করাই যুক্তিসঙ্গত ও প্রয়োজনীয়।
৬। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পরিবর্তন: বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীর চাকুরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি গ্রহণ এবং ইউজিসি কর্তৃক নতুন জনবল ছাড়করণ সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। প্রান্তিক এলাকায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় বিভিন্ন পদের বিপরীতে, বিশেষ করে উচ্চ পদগুলোতে (প্ল্যানিং ডিরেক্টর, নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-পরিচালক একাউন্টস সহ) এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল পদসমূহে যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন পাওয়া যায় না। তাই প্রয়োজনেই নিয়ম মাফিক পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়ে থাকে। যা একটি রেগুলার কার্যক্রম এর অংশ। এর পরেও যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ার ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট এ বিশদভাবে পর্যালোচনা করে সরকারি নিয়ম, ইউজিসি ও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেটের অনুমোদন এর মাধ্যমেই শুধুমাত্র কোনো পদের বিপরীতে নিয়োগের যোগ্যতা ও শর্ত (requirement) পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এখানে উপাচার্য এর একক সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ নেই। এর পরেও কিছু পদের বিপরীতে যোগ্য প্রার্থী এখনো পাওয়া যায় নি, সেক্ষেত্রে মাননীয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিজস্ব লোক নিয়োগের অভিযোগটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অবান্তর ও কল্পনাপ্রসূত হাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বর্তমান মাননীয় উপাচার্য তাঁর কোন নিকট আত্মীয় স্বজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ করেন নাই।
সংবাদপত্রে একজন সিন্ডিকেট সদস্যের নাম উল্লেখ করে কিছু বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, সেটা যদি সত্য হয় তবে তা খুবই দুঃখজনক। তাঁর উচিৎ সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত থেকে তাঁর মতামত উপাস্থপন করা।
৭। কোষাধ্যক্ষ ও অন্যান্য পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন: সুবিপ্রবিতে এখনো মাননীয় আচার্য কর্তৃক কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করা হয়নি। সেক্ষেত্রে বর্তমান উপাচার্য মহোদয় সিন্ডিকেট এর অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। যা একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। কোষাধ্যক্ষ নিয়োগকৃত থাকলেই কেবল সাময়িকভাবে শূন্যতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:;
সম্প্রতি সুনামগঞ্জের একটি স্থানীয় পত্রিকাসহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবর এবং 'সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস সুনামগঞ্জ জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলন' নামক ব্যানারে প্রচারিত একটি স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদগুলো এবং স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মহোদয়ের সম্মানহানি করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য দেয়া হয়েছে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন নিয়ে জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার(০২ জুলাই) সুবিপ্রবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) নিয়াজ আব্দুল্লাহ সাক্ষরিত লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ ও সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানায়।
প্রচারিত এবং উল্লেখিত মিথ্যা দাবিসমূহের বিপরীতে প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১। ক্যাম্পাসের স্থান নির্ধারণ প্রসঙ্গে: বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থান ও এর ভূমির পরিমাণ নির্ধারণ একটি দীর্ঘ ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া, যা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। উপাচার্য মহোদয়কে এখানে দোষারোপ করার সুযোগ নেই। উপাচার্য মহোদয় সরকারের সিদ্ধান্ত ও উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে বন্ধ পরিকর এবং তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
২। নিয়োগ সংক্রান্ত মিথ্যাচার: উপাচার্যের বিরুদ্ধে জনবল নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বর্তমান উপাচার্যের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগকৃত জনবলের (০১ জন শিক্ষক, ০৪ জন কর্মচারী) নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইনসম্মত, উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি এবং ইউজিসি ও সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে মেধার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।
৩। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করার দাবি অসত্য: সুনামগঞ্জ বা সিলেট বিভাগের যোগ্য প্রার্থীদের ইন্টারভিউ কার্ড দেওয়া হয়নি-এই দাবিটি সম্পূর্ণ মনগড়া। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারী সকল যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়ম অনুযায়ী মূল্যায়িত করা হয়েছে এবং এখানে আঞ্চলিকতার কোনো বৈষম্য করার সুযোগ নেই। এ সম্পর্কিত কোন অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট কেউ উত্থাপন করে নাই।
৪। উপাচার্যের কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ মিথ্যা: উপাচার্য মহোদয় নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক একাডেমিক কার্যক্রম গতিশীল রাখার জন্য নিরলস কাজ যাচ্ছেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হওয়া তো দূরের কথা, বরং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় জাতীয় ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট ইনভাইটেশন এর ভিত্তিতে এবং সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে অফিস আদেশ মাধ্যমে তিনি ঢাকাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট গন্তব্যে গমন করেন। তাছাড়াও তাঁকে UGC এর সম্মানিত সদস্য (খণ্ডকালীন) হওয়ায় সেখানে বিভিন্ন নিয়োগ বোর্ড এবং মিটিং এ উপস্থিত থাকতে হয়। আরো উল্লেখ্য যে, উনি প্রায়শই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের স্বার্থে রাত অবধি এবং বন্ধের দিনও অফিসে অবস্থান করেন।
৫। প্রত্যাখাত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সাথে সম্পৃক্ততা: এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অপ্রাসঙ্গিক। একজন উপাচার্যের দায়িত্ব হলো পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একত্রে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন তরান্বিত করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কখন নিয়োগ পেয়েছেন, সেটি মুখ্য নয়, বরং তিনি তাঁর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কিনা, সেটিই পুরুত্বপূর্ণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে নিয়ে কাজ করাই যুক্তিসঙ্গত ও প্রয়োজনীয়।
৬। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পরিবর্তন: বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীর চাকুরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি গ্রহণ এবং ইউজিসি কর্তৃক নতুন জনবল ছাড়করণ সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। প্রান্তিক এলাকায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় বিভিন্ন পদের বিপরীতে, বিশেষ করে উচ্চ পদগুলোতে (প্ল্যানিং ডিরেক্টর, নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-পরিচালক একাউন্টস সহ) এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল পদসমূহে যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন পাওয়া যায় না। তাই প্রয়োজনেই নিয়ম মাফিক পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়ে থাকে। যা একটি রেগুলার কার্যক্রম এর অংশ। এর পরেও যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ার ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট এ বিশদভাবে পর্যালোচনা করে সরকারি নিয়ম, ইউজিসি ও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেটের অনুমোদন এর মাধ্যমেই শুধুমাত্র কোনো পদের বিপরীতে নিয়োগের যোগ্যতা ও শর্ত (requirement) পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এখানে উপাচার্য এর একক সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ নেই। এর পরেও কিছু পদের বিপরীতে যোগ্য প্রার্থী এখনো পাওয়া যায় নি, সেক্ষেত্রে মাননীয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিজস্ব লোক নিয়োগের অভিযোগটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অবান্তর ও কল্পনাপ্রসূত হাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বর্তমান মাননীয় উপাচার্য তাঁর কোন নিকট আত্মীয় স্বজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ করেন নাই।
সংবাদপত্রে একজন সিন্ডিকেট সদস্যের নাম উল্লেখ করে কিছু বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, সেটা যদি সত্য হয় তবে তা খুবই দুঃখজনক। তাঁর উচিৎ সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত থেকে তাঁর মতামত উপাস্থপন করা।
৭। কোষাধ্যক্ষ ও অন্যান্য পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন: সুবিপ্রবিতে এখনো মাননীয় আচার্য কর্তৃক কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করা হয়নি। সেক্ষেত্রে বর্তমান উপাচার্য মহোদয় সিন্ডিকেট এর অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। যা একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। কোষাধ্যক্ষ নিয়োগকৃত থাকলেই কেবল সাময়িকভাবে শূন্যতার