নিজস্ব প্রতিবেদক।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের পশ্চিম চটি গ্রামের বাসিন্দা, ফ্রান্স দলের সমর্থনে পতাকা টানাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত বিরেণ পাত্রের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আব্দুল গফফার চৌধুরী ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিহত বিরেণ পাত্রের বাড়িতে গিয়ে ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীল সদস্য, তরুণ সমাজসেবী ও সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদান তুলে দেন। অনুদানটি প্রদান করেন আব্দুল গফফার চৌধুরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরুর পক্ষ থেকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মানিক মিয়া, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বাঁশির আলী, রুহেল আহমেদ, লব পাত্র, সোকেন পাত্রসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, নিহত বিরেণ পাত্র (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চটি গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত ইলেন্দ্র পাত্রের ছেলে।
গত শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর প্রায় ১টার দিকে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে ফ্রান্স দলের সমর্থনে প্রায় ৬০ ফুট উঁচু একটি গাছে পতাকা টানানোর কাজ শেষ করে নিচে নামার সময় অসাবধানতাবশত তার হাত ফসকে যায়। এতে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সিলেটের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের পশ্চিম চটি গ্রামের বাসিন্দা, ফ্রান্স দলের সমর্থনে পতাকা টানাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত বিরেণ পাত্রের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আব্দুল গফফার চৌধুরী ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিহত বিরেণ পাত্রের বাড়িতে গিয়ে ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীল সদস্য, তরুণ সমাজসেবী ও সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদান তুলে দেন। অনুদানটি প্রদান করেন আব্দুল গফফার চৌধুরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরুর পক্ষ থেকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মানিক মিয়া, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বাঁশির আলী, রুহেল আহমেদ, লব পাত্র, সোকেন পাত্রসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, নিহত বিরেণ পাত্র (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চটি গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত ইলেন্দ্র পাত্রের ছেলে।
গত শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর প্রায় ১টার দিকে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে ফ্রান্স দলের সমর্থনে প্রায় ৬০ ফুট উঁচু একটি গাছে পতাকা টানানোর কাজ শেষ করে নিচে নামার সময় অসাবধানতাবশত তার হাত ফসকে যায়। এতে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সিলেটের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।