সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার তেলিয়াপাড়া গ্রামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল করে টিনশেড দোকান ভেঙে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী রতন মিয়ার দাবি, তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ক্রয়কৃত ওই জমি ভোগদখলে রেখে দোকান নির্মাণ করে ভাড়াও দিয়ে আসছিলেন। তবে বর্তমানে জায়গাটি নিজেদের দাবি করে হাবিব মিয়া ও তাঁর সহোদরেরা সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করছেন।
জানা যায়, তেলিয়াপাড়া গ্রামের জনৈক আব্দুল কুদ্দুসের কাছ থেকে ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুই দফায় মোট ৬ শতক জমি ক্রয় করেন রতন মিয়া। দলিল নম্বর ১৪০৬/২০১২ ও ১৫৭৫/২০১৪ অনুযায়ী জমিটির খতিয়ান নম্বর ৭৭০, দাগ নম্বর ১৭০৭, ১৮৪৫ ও ৮০০৪, মৌজা-জামালগঞ্জ, জেএল নম্বর-৮৮ এবং আরএস-৬৬।
রতন মিয়ার দাবি, জমিটি ক্রয়ের পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ভোগদখলে ছিলেন। সেখানে একটি টিনশেড দোকান নির্মাণ করে স্থানীয় বাবুল মিয়ার কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। সম্প্রতি দুবাইপ্রবাসী হাবিব মিয়া, তাঁর সহোদর শহিবুর, হাসান মিয়া, জহুর মিয়া, আসলাম মিয়া, আব্দুর রহিমসহ অন্যরা জায়গাটি নিজেদের দাবি করে টিনশেড দোকানটি ভেঙে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করেন।
অভিযোগকারী আরও বলেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ দ্রুত ভবন নির্মাণ করে দখল নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। তিনি নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা হওয়ায় এবং নীরিহ প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় প্রতিপক্ষ এ সুযোগ নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াসিম বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে রতন মিয়াকেই ওই জায়গার দখলে দেখে আসছেন। সেখানে তাঁর নির্মিত টিনশেড দোকান ছিল এবং সেটি ভাড়াও দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দোকানটি ভেঙে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
দোকানের ভাড়াটিয়া বাবুল মিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রতন মিয়ার কাছ থেকে দোকানটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। এখন দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাবিব মিয়া জায়গাটি তাঁর বলে দাবি করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিব মিয়া বলেন, তিনি জোরপূর্বক কোনো জমি দখল করেননি। নিজের বৈধভাবে ক্রয় করা জায়গাতেই ভবন নির্মাণ করছেন।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বন্দে আলী মিয়া বলেন, লিগ্যাল এইড অফিস, সুনামগঞ্জ থেকে নোটিশ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে তা পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার তেলিয়াপাড়া গ্রামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল করে টিনশেড দোকান ভেঙে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী রতন মিয়ার দাবি, তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ক্রয়কৃত ওই জমি ভোগদখলে রেখে দোকান নির্মাণ করে ভাড়াও দিয়ে আসছিলেন। তবে বর্তমানে জায়গাটি নিজেদের দাবি করে হাবিব মিয়া ও তাঁর সহোদরেরা সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করছেন।
জানা যায়, তেলিয়াপাড়া গ্রামের জনৈক আব্দুল কুদ্দুসের কাছ থেকে ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুই দফায় মোট ৬ শতক জমি ক্রয় করেন রতন মিয়া। দলিল নম্বর ১৪০৬/২০১২ ও ১৫৭৫/২০১৪ অনুযায়ী জমিটির খতিয়ান নম্বর ৭৭০, দাগ নম্বর ১৭০৭, ১৮৪৫ ও ৮০০৪, মৌজা-জামালগঞ্জ, জেএল নম্বর-৮৮ এবং আরএস-৬৬।
রতন মিয়ার দাবি, জমিটি ক্রয়ের পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ভোগদখলে ছিলেন। সেখানে একটি টিনশেড দোকান নির্মাণ করে স্থানীয় বাবুল মিয়ার কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। সম্প্রতি দুবাইপ্রবাসী হাবিব মিয়া, তাঁর সহোদর শহিবুর, হাসান মিয়া, জহুর মিয়া, আসলাম মিয়া, আব্দুর রহিমসহ অন্যরা জায়গাটি নিজেদের দাবি করে টিনশেড দোকানটি ভেঙে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করেন।
অভিযোগকারী আরও বলেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ দ্রুত ভবন নির্মাণ করে দখল নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। তিনি নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা হওয়ায় এবং নীরিহ প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় প্রতিপক্ষ এ সুযোগ নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াসিম বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে রতন মিয়াকেই ওই জায়গার দখলে দেখে আসছেন। সেখানে তাঁর নির্মিত টিনশেড দোকান ছিল এবং সেটি ভাড়াও দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দোকানটি ভেঙে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
দোকানের ভাড়াটিয়া বাবুল মিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রতন মিয়ার কাছ থেকে দোকানটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। এখন দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাবিব মিয়া জায়গাটি তাঁর বলে দাবি করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিব মিয়া বলেন, তিনি জোরপূর্বক কোনো জমি দখল করেননি। নিজের বৈধভাবে ক্রয় করা জায়গাতেই ভবন নির্মাণ করছেন।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বন্দে আলী মিয়া বলেন, লিগ্যাল এইড অফিস, সুনামগঞ্জ থেকে নোটিশ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে তা পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।