কানাইঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে দুটি ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক, উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সর্বশেষ বুধবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামের করুণা সুন্দরী দিঘীর পাশে পারিবারিক বিরোধের জেরে নৃশংস হামলায় নিহত হন জাহাঙ্গীর আলম (২৮)। তিনি ওই গ্রামের মৃত মুসা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় দুই মাস আগে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে পাশের বড়চতুল ইউনিয়নের কুল্লার লখাইর গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে যান। স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে তার ভায়রা ভাই শামীম আহমদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন বিকেল ২টার দিকে এ বিষয়েই শামীম আহমদের বাড়িতে গেলে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে শামীম আহমদ ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
এরই জেরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম বাড়ি থেকে বড়বন্দ বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলে করুণা সুন্দরী দিঘীর পাশে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শামীম আহমদ, তার ভাই ডালিম উদ্দিন, নাঈম উদ্দিন, ভাগ্নে তারেক আহমদ ও সাহেদ আহমদসহ কয়েকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এর মাত্র দুই দিন আগে কানাইঘাট পৌরসভার উত্তর দলইমাটি গ্রামে আরেকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারায় কিশোর আহাদ আহমদ (১৬)। উপজেলার একটি ওয়ার্কশপে কর্মরত অবস্থায় কথাকাটাকাটির জেরে তার ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সায়েম আহমদ স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা রশিক উদ্দিন ফেড়াই বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রায়গড় গ্রামের সায়েম আহমদ, ওয়ার্কশপ মালিক তাজ উদ্দিন তাজু ও জামিল উদ্দিনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ মামলারও কোনো আসামিকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এক সপ্তাহের মধ্যে সংঘটিত দুটি হত্যাকাণ্ডের পরও আসামিদের গ্রেফতার করা না হওয়ায় কানাইঘাটে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কানাইঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে দুটি ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক, উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সর্বশেষ বুধবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামের করুণা সুন্দরী দিঘীর পাশে পারিবারিক বিরোধের জেরে নৃশংস হামলায় নিহত হন জাহাঙ্গীর আলম (২৮)। তিনি ওই গ্রামের মৃত মুসা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় দুই মাস আগে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে পাশের বড়চতুল ইউনিয়নের কুল্লার লখাইর গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে যান। স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে তার ভায়রা ভাই শামীম আহমদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন বিকেল ২টার দিকে এ বিষয়েই শামীম আহমদের বাড়িতে গেলে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে শামীম আহমদ ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
এরই জেরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম বাড়ি থেকে বড়বন্দ বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলে করুণা সুন্দরী দিঘীর পাশে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শামীম আহমদ, তার ভাই ডালিম উদ্দিন, নাঈম উদ্দিন, ভাগ্নে তারেক আহমদ ও সাহেদ আহমদসহ কয়েকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এর মাত্র দুই দিন আগে কানাইঘাট পৌরসভার উত্তর দলইমাটি গ্রামে আরেকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারায় কিশোর আহাদ আহমদ (১৬)। উপজেলার একটি ওয়ার্কশপে কর্মরত অবস্থায় কথাকাটাকাটির জেরে তার ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সায়েম আহমদ স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা রশিক উদ্দিন ফেড়াই বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রায়গড় গ্রামের সায়েম আহমদ, ওয়ার্কশপ মালিক তাজ উদ্দিন তাজু ও জামিল উদ্দিনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ মামলারও কোনো আসামিকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এক সপ্তাহের মধ্যে সংঘটিত দুটি হত্যাকাণ্ডের পরও আসামিদের গ্রেফতার করা না হওয়ায় কানাইঘাটে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।