Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
channeljaintanews24.com
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ | ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
channeljaintanews24@gmail.com

গোয়াইনঘাটে নৌকা চুরির অভিযোগে যুবককে অপহরণ, নির্যাতনের পর দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
🕒 বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ | ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে একটি ছোট নৌকা চুরির অভিযোগে এক যুবককে অপহরণ করে নির্মম নির্যাতনের পর তার দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাতে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়ির পুকুর থেকে একটি ছোট নৌকা চুরি হয়। এ ঘটনার জের ধরে রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে তোয়াকুল বাজারে মাছ-তরকারি কিনতে আসেন তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকী গ্রামের সোনাই মিয়ার ছেলে খালেদ আহমদ (২০)।


এ সময় শাহপুর গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে মোস্তাক আহমদ, তোতা মিয়ার ছেলে পছাই মিয়া, ময়না মিয়ার ছেলে সেলিম আহমদ, নেছার আলীর ছেলে ফখরুল ইসলাম, আব্দুল জব্বারের ছেলে ইলিয়াস মিয়া, ইউসুফ আলীর ছেলে তোতা মিয়া এবং ইবই মিয়ার ছেলে সিরাজ উদ্দিন সংঘবদ্ধভাবে খালেদ আহমদকে অপহরণ করে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়িতে নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


সেখানে তাকে ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার দুই চোখ উপড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। খালেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে খালেদের মা কুটনা বেগম তাকে হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


তোয়াকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য লোকমান আহমদ বলেন, রোববার বিকেল ৫টার দিকে তোয়াকুল বাজার থেকে খালেদকে অপহরণের খবর পেয়ে তিনি মোস্তাক আহমদকে ফোন করে খালেদকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে তারা তার কথা শোনেননি বলে দাবি করেন।


তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন, খালেদ আহমদকে অপহরণের খবর পাওয়ার পর তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য লোকমান আহমদকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে বলেন। কিন্তু অভিযুক্তরা ইউপি সদস্যের কথাও শোনেননি বলে জানান তিনি।


এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নাঈমুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত গোয়াইনঘাট থানায় এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

ছবি
channeljaintanews24.com
logo
ভিজিট করুন
০২.০৭.২০২৬
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
channeljaintanews24.com