জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় পৃথক স্থানে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাদক সংক্রান্ত তিনটি মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই অভিযানে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে একটি স্টোন ক্রাশার মিলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জৈন্তাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ।
অভিযানের শুরুতে আদর্শগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় স্থানীয়রা মাদক সেবনের অভিযোগে মো. জুয়েল (২২) নামে এক যুবককে আটক করে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন। তিনি একই গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এরপর বিরাইমারা কদমখাল এলাকায় অবস্থিত একটি স্টোন ক্রাশার মিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ লঙ্ঘনের দায়ে মিল কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানের শেষ পর্যায়ে রাত ১১টার দিকে সারিঘাট দক্ষিণ বাজার পাথরঘাট এলাকায় স্থানীয়রা ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। আটককৃতরা হলেন— নয়াখেল গ্রামের খলিল আহমেদ (২৬) এবং সারিঘাট দক্ষিণ এলাকার সিদ্দেক আলীর ছেলে মিজান আহমেদ (২১)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর আওতায় তাদের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব বলেন, মাদক ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি মাদক নির্মূল ও পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় পৃথক স্থানে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাদক সংক্রান্ত তিনটি মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই অভিযানে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে একটি স্টোন ক্রাশার মিলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জৈন্তাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ।
অভিযানের শুরুতে আদর্শগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় স্থানীয়রা মাদক সেবনের অভিযোগে মো. জুয়েল (২২) নামে এক যুবককে আটক করে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন। তিনি একই গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এরপর বিরাইমারা কদমখাল এলাকায় অবস্থিত একটি স্টোন ক্রাশার মিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ লঙ্ঘনের দায়ে মিল কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানের শেষ পর্যায়ে রাত ১১টার দিকে সারিঘাট দক্ষিণ বাজার পাথরঘাট এলাকায় স্থানীয়রা ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। আটককৃতরা হলেন— নয়াখেল গ্রামের খলিল আহমেদ (২৬) এবং সারিঘাট দক্ষিণ এলাকার সিদ্দেক আলীর ছেলে মিজান আহমেদ (২১)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর আওতায় তাদের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব বলেন, মাদক ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি মাদক নির্মূল ও পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।