রাতারগুলের মটরঘাটকে টেন্ডারের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন, পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার।:
সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টের গুরুত্বপূর্ণ **‘মটরঘাট’**কে পার্কিং দরপত্রের অন্তর্ভুক্ত করে পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাতারগুল এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বন বিভাগ প্রকাশিত পার্কিং-সংক্রান্ত এক দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল মাঝেরঘাটকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও গুরুত্বপূর্ণ মটরঘাটকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী, নৌকার মাঝি এবং সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাতারগুলের পর্যটন ব্যবস্থাপনায় মটরঘাট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবেশপথ। অথচ এই ঘাটকে টেন্ডারের বাইরে রাখায় সরকার যেমন সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে, তেমনি এলাকার হাজারো মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
বক্তারা আরও বলেন, চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল ঘাটে পার্কিং ফি কার্যকর থাকলেও মটরঘাটে তা না থাকলে পর্যটকদের গাড়িচালকরা ফি এড়াতে মটরঘাট ব্যবহার করবেন। এতে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল ঘাটে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাবে। এর ফলে শত শত নৌকার মাঝি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সেবাদানকারীরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘাটগুলোর মধ্যে পর্যটক ও যানবাহন ভেড়ানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কাও রয়েছে। তাই বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তিনটি ঘাটকে একই দরপত্রের আওতায় এনে পুনরায় সুষম টেন্ডার আহ্বানের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিলাল আহমদ, সোনা মিয়া, আমির আলী, হারিছ আলী, ইরফান আলী, মাজরুল, বিলাল, কামাল, শাহাবুদ্দিন, মারুফ আহমদ, মদরিছ আলী, খালেদ আহমদ, মিনহাজ উদ্দিন, সালমান, রিয়াদ, সায়েম আহমদ, মিজান, জিয়া, জীবান, মোমিন, সিফাত, আকিল, জাহাঙ্গীর, সিরাজ মিয়া, আল আমিন, ইব্রাহিম আলী, মনির ও লায়েক আহমদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয়রা উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান এবং এলাকার মানুষের রুজি-রোজগার ও কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল মাঝেরঘাটের পাশাপাশি মটরঘাটকেও একই দরপত্রের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করে পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের জন্য বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।