Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৯ জুন ২০২৬ · ০১:১৬ অপরাহ্ন

বন্দোবস্তের জমি বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন, দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিরোধে নতুন বিতর্ক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আদালতে মামলা; প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত সফর আলী
ছবি

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার, দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পৌরশহরের ঘাগটিয়া গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মৃত উছমান আলীর উত্তরাধিকারীরা অভিযোগ করেছেন, পরিবারের সদস্য মো. সফর আলী বিভিন্ন কৌশলে পৈতৃক সম্পত্তি এককভাবে ভোগ-দখল করছেন এবং ভাই-বোনদের ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিরাই থানা, উপজেলা প্রশাসন ও আদালতে একাধিক অভিযোগ ও মামলা বিচারাধীন রয়েছে।


মামলার নথি ও অভিযোগ অনুযায়ী, উছমান আলী সরকারের কাছ থেকে ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্তে জমি পান এবং পরে আরও জমি ক্রয় করেন। ২০০৫ সালে তাঁর মৃত্যুর পর দুই স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে উত্তরাধিকারী থাকলেও অভিযোগ ওঠে, মেজো ছেলে মো. সফর আলী অধিকাংশ সম্পত্তি নিজের দখলে রেখে অন্য উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করেন।


ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা জাহির মিয়া ওরফে জাহির আলী, যিনি মৃত আব্দুন নূরের ছেলে, বলেন যে পৈতৃক সম্পত্তিতে তাঁদের ন্যায্য অংশ চাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি আদালতে গড়ায়। তাঁর অভিযোগ, জমি বিক্রির একটি দলিলে মো. সফর আলীর পরিবর্তে 'মো. সফাত উল্লাহ' নাম ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতারণার শামিল বলে তিনি দাবি করেন।


স্থানীয় কয়েকজন মধ্যস্থতাকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিরোধ মীমাংসার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সমাধান সম্ভব হয়নি।


অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. সফর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর পিতা জীবিত অবস্থায় বৈধভাবে সম্পত্তি বিক্রি করে গেছেন এবং তিনি অবৈধভাবে কোনো জমি দখল করেননি। তিনি জানান, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং একটি মামলায় তিনি ইতোমধ্যে রায় পেয়েছেন, অন্য মামলারও রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন। দলিলে ভিন্ন নাম ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, দলিল প্রস্তুতকারীরাই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।


এ বিষয়ে দিরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল হাসান সৌরভ বলেন, সরকারের বন্দোবস্ত দেওয়া জমি বিক্রি করা যায় না। যদি এমন জমি বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


বর্তমানে বিরোধটি আদালতে বিচারাধীন থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার, দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পৌরশহরের ঘাগটিয়া গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মৃত উছমান আলীর উত্তরাধিকারীরা অভিযোগ করেছেন, পরিবারের সদস্য মো. সফর আলী বিভিন্ন কৌশলে পৈতৃক সম্পত্তি এককভাবে ভোগ-দখল করছেন এবং ভাই-বোনদের ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিরাই থানা, উপজেলা প্রশাসন ও আদালতে একাধিক অভিযোগ ও মামলা বিচারাধীন রয়েছে।


মামলার নথি ও অভিযোগ অনুযায়ী, উছমান আলী সরকারের কাছ থেকে ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্তে জমি পান এবং পরে আরও জমি ক্রয় করেন। ২০০৫ সালে তাঁর মৃত্যুর পর দুই স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে উত্তরাধিকারী থাকলেও অভিযোগ ওঠে, মেজো ছেলে মো. সফর আলী অধিকাংশ সম্পত্তি নিজের দখলে রেখে অন্য উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করেন।


ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা জাহির মিয়া ওরফে জাহির আলী, যিনি মৃত আব্দুন নূরের ছেলে, বলেন যে পৈতৃক সম্পত্তিতে তাঁদের ন্যায্য অংশ চাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি আদালতে গড়ায়। তাঁর অভিযোগ, জমি বিক্রির একটি দলিলে মো. সফর আলীর পরিবর্তে 'মো. সফাত উল্লাহ' নাম ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতারণার শামিল বলে তিনি দাবি করেন।


স্থানীয় কয়েকজন মধ্যস্থতাকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিরোধ মীমাংসার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সমাধান সম্ভব হয়নি।


অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. সফর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর পিতা জীবিত অবস্থায় বৈধভাবে সম্পত্তি বিক্রি করে গেছেন এবং তিনি অবৈধভাবে কোনো জমি দখল করেননি। তিনি জানান, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং একটি মামলায় তিনি ইতোমধ্যে রায় পেয়েছেন, অন্য মামলারও রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন। দলিলে ভিন্ন নাম ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, দলিল প্রস্তুতকারীরাই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।


এ বিষয়ে দিরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল হাসান সৌরভ বলেন, সরকারের বন্দোবস্ত দেওয়া জমি বিক্রি করা যায় না। যদি এমন জমি বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


বর্তমানে বিরোধটি আদালতে বিচারাধীন থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com