Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৬ জুন ২০২৬ · ০১:০০ পূর্বাহ্ন

রাণীগঞ্জ কলেজে শিক্ষকদের হাতাহাতি-মারামারি, উত্তেজনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাণীগঞ্জ কলেজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাশাপাশি স্বনামধন্য এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


জানা গেছে, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরের বিরুদ্ধে রেজুলেশন জালিয়াতির মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং গভর্নিং বডির কমিটি না থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কলেজের একাংশ শিক্ষক প্রতিবাদী অবস্থান নিলেও অপর অংশ অধ্যক্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে কলেজের শিক্ষকরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।


গত ২৪ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কলেজে গিয়ে গভর্নিং বডির কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় অধ্যক্ষের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রতিবাদী শিক্ষকরা। একপর্যায়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনেই দুই পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন হাজী চান মিয়া, কয়েছ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, আল আমিন, কাওছার মিয়া মেম্বার, নিজাম উদ্দিন জালালী, ময়ূর মিয়া ও মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়া পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন কলেজের শিক্ষক আবু খালেদ, সাইদুর রহমান ও মিছলুর রহমান।


বিষয়টি নিয়ে ২৫ জুন সরেজমিনে কলেজে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরকে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে বিভক্তির কারণে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতামত পাওয়া গেছে।


স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা সতর্ক করে বলেছেন, শিক্ষকদের মধ্যকার বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে তারা আন্দোলনে নামবেন।


কলেজে সৃষ্ট এ পরিস্থিতি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, শিক্ষকরা যদি নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়ান, তাহলে শিক্ষার্থীদের সামনে কী ধরনের আদর্শ স্থাপিত হবে?

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাণীগঞ্জ কলেজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাশাপাশি স্বনামধন্য এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


জানা গেছে, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরের বিরুদ্ধে রেজুলেশন জালিয়াতির মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং গভর্নিং বডির কমিটি না থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কলেজের একাংশ শিক্ষক প্রতিবাদী অবস্থান নিলেও অপর অংশ অধ্যক্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে কলেজের শিক্ষকরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।


গত ২৪ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কলেজে গিয়ে গভর্নিং বডির কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় অধ্যক্ষের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রতিবাদী শিক্ষকরা। একপর্যায়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনেই দুই পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন হাজী চান মিয়া, কয়েছ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, আল আমিন, কাওছার মিয়া মেম্বার, নিজাম উদ্দিন জালালী, ময়ূর মিয়া ও মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়া পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন কলেজের শিক্ষক আবু খালেদ, সাইদুর রহমান ও মিছলুর রহমান।


বিষয়টি নিয়ে ২৫ জুন সরেজমিনে কলেজে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরকে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে বিভক্তির কারণে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতামত পাওয়া গেছে।


স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা সতর্ক করে বলেছেন, শিক্ষকদের মধ্যকার বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে তারা আন্দোলনে নামবেন।


কলেজে সৃষ্ট এ পরিস্থিতি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, শিক্ষকরা যদি নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়ান, তাহলে শিক্ষার্থীদের সামনে কী ধরনের আদর্শ স্থাপিত হবে?

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com