সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় আজিজ নাঈম নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।
একইসঙ্গে রায়ে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হুইপ জিকে গৌছসহ ৯ জনকে খালাস প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় প্রদান করেন।
এ তথ্য জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, মামলার রায়ে আজিজ নাঈম নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড ও বাকিদের খালাস প্রদান করা হয়েছে।
জানা যায়, আজিজ নাঈমের বাড়ি জগন্নাথপুরের সেয়দপুরে। তিনি সুরঞ্জিত সেনহত্যা চেষ্টা ছাড়া বিভিন্ন বোমা হামলা ও জঙ্গি হামলা মামলার আসামি। এসব মামলায় প্রায় ২০ বছর জেল খাটেন আজিজ। তিনি সুরঞ্জিত সেন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।
জানা যায়, আজিজ নাঈম সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর সিলেটে বোমা হামলা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। যদিও পরে এই মামলায় খালাস পান। এছাড়া সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলা, সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপর বোমা হামলা মামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ ্এসএম কিবরিয়া হত্যা মামলারও আসামি আজিজ নাঈম।
সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় জেল খাটার পর সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তবে আজিজ নাঈমকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করেছেন তার ভাই। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।
তিনি বলেন, ১/১১ সরকার তারে জঙ্গি সাজাতে চেয়েছে সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় নির্যাতন করে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি আদায় করেছে।
রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বর থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আসামি আজিজ নাঈমকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়।
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় আজিজ নাঈম নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।
একইসঙ্গে রায়ে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হুইপ জিকে গৌছসহ ৯ জনকে খালাস প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় প্রদান করেন।
এ তথ্য জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, মামলার রায়ে আজিজ নাঈম নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড ও বাকিদের খালাস প্রদান করা হয়েছে।
জানা যায়, আজিজ নাঈমের বাড়ি জগন্নাথপুরের সেয়দপুরে। তিনি সুরঞ্জিত সেনহত্যা চেষ্টা ছাড়া বিভিন্ন বোমা হামলা ও জঙ্গি হামলা মামলার আসামি। এসব মামলায় প্রায় ২০ বছর জেল খাটেন আজিজ। তিনি সুরঞ্জিত সেন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।
জানা যায়, আজিজ নাঈম সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর সিলেটে বোমা হামলা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। যদিও পরে এই মামলায় খালাস পান। এছাড়া সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলা, সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপর বোমা হামলা মামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ ্এসএম কিবরিয়া হত্যা মামলারও আসামি আজিজ নাঈম।
সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় জেল খাটার পর সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তবে আজিজ নাঈমকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করেছেন তার ভাই। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।
তিনি বলেন, ১/১১ সরকার তারে জঙ্গি সাজাতে চেয়েছে সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় নির্যাতন করে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি আদায় করেছে।
রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বর থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আসামি আজিজ নাঈমকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়।