দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক সৌদিপ্রবাসী তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা এবং সংসার ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে জমি কিনে না দেওয়া, পাওনা টাকা আত্মসাৎ, ঘর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ও প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টেংরাটিলা গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে আলম মিয়া প্রায় ১৮ বছর আগে পারিবারিকভাবে বাংলাবাজার ইউনিয়নের পেকপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের মেয়ে রুজিনা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে ১৬ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। গত ছয়-সাত বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন আলম মিয়া।
অভিযোগে বলা হয়, দেশে থাকাকালে আলম মিয়ার স্ত্রী একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। প্রবাসে যাওয়ার পর স্ত্রীকে চাকরি না করার পরামর্শ দিলে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ সময় আলম মিয়া তাঁর উপার্জিত অর্থ নিয়মিত স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, রুজিনা বেগম সেই অর্থ আত্মসাৎ করে সংসার ত্যাগ করে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চলে যান।
পৃথক আরেকটি লিখিত অভিযোগে টেংরাটিলা গ্রামের কৃষিজীবী মো. আব্দুল করিম (৫০) অভিযোগ করেন, তাঁর সৌদিপ্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো টাকা জমি ক্রয় ও বন্ধক রাখার কথা বলে এক আত্মীয় দম্পতি গ্রহণ করেন। ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পাঠানো ওই অর্থের বিপরীতে আংশিক জমি একটি অনিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে কিনে দেওয়া হলেও বাকি টাকার বিপরীতে কোনো জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা টাকা ও দলিল ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা তা অস্বীকার করেন এবং অভিযোগকারীসহ সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩ জুন অভিযুক্ত পক্ষের লোকজন অভিযোগকারীর নির্মাণাধীন টিনশেড ঘরে ঢুকে দা ও লোহার রড দিয়ে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে আব্দুল করিম জানান, একই ঘটনায় তিনি এর আগে দোয়ারাবাজার আমলি আদালতে একটি মামলা (সিআর মামলা নং-১১৮/২০২০) দায়ের করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক সৌদিপ্রবাসী তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা এবং সংসার ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে জমি কিনে না দেওয়া, পাওনা টাকা আত্মসাৎ, ঘর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ও প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টেংরাটিলা গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে আলম মিয়া প্রায় ১৮ বছর আগে পারিবারিকভাবে বাংলাবাজার ইউনিয়নের পেকপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের মেয়ে রুজিনা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে ১৬ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। গত ছয়-সাত বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন আলম মিয়া।
অভিযোগে বলা হয়, দেশে থাকাকালে আলম মিয়ার স্ত্রী একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। প্রবাসে যাওয়ার পর স্ত্রীকে চাকরি না করার পরামর্শ দিলে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ সময় আলম মিয়া তাঁর উপার্জিত অর্থ নিয়মিত স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, রুজিনা বেগম সেই অর্থ আত্মসাৎ করে সংসার ত্যাগ করে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চলে যান।
পৃথক আরেকটি লিখিত অভিযোগে টেংরাটিলা গ্রামের কৃষিজীবী মো. আব্দুল করিম (৫০) অভিযোগ করেন, তাঁর সৌদিপ্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো টাকা জমি ক্রয় ও বন্ধক রাখার কথা বলে এক আত্মীয় দম্পতি গ্রহণ করেন। ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পাঠানো ওই অর্থের বিপরীতে আংশিক জমি একটি অনিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে কিনে দেওয়া হলেও বাকি টাকার বিপরীতে কোনো জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা টাকা ও দলিল ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা তা অস্বীকার করেন এবং অভিযোগকারীসহ সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩ জুন অভিযুক্ত পক্ষের লোকজন অভিযোগকারীর নির্মাণাধীন টিনশেড ঘরে ঢুকে দা ও লোহার রড দিয়ে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে আব্দুল করিম জানান, একই ঘটনায় তিনি এর আগে দোয়ারাবাজার আমলি আদালতে একটি মামলা (সিআর মামলা নং-১১৮/২০২০) দায়ের করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”