Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৪ জুন ২০২৬ · ০১:১০ অপরাহ্ন

পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডবে জাফলং: এক রাতে ভেসে গেল শতাধিক দোকান, নিঃস্ব ব্যবসায়ীরা

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সিলেট, জাফলং: ভারতের মেঘালয়ে ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে সিলেটের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র জাফলং। শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাতে পিয়াইন নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকার শতাধিক দোকানঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে কয়েকশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকানপাট ও মালামাল সম্পূর্ণ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।


স্থানীয় সূত্র ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, শনিবার রাতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়। এর প্রভাবে গভীর রাতে জাফলং জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পিয়াইন নদীর পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পাহাড়ি ঢলের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ব্যবসায়ীরা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ পাননি। অনেকেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন, আবার কেউ কেউ দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের তোড়ে দোকানপাট ভেঙে পড়ে এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল নদীতে ভেসে যায়।


ভুক্তভোগীরা জানান, পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে নতুন মালামাল সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু এক রাতের এই দুর্যোগ তাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন কেড়ে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।


জাফলং পর্যটন কেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, “গভীর রাতে পাহাড়ি ঢলের কারণে আমাদের কয়েক শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আজ পথে বসে গেছেন। প্রতি বছরই আমাদের জীবন ও জীবিকা এমন ঝুঁকির মুখে পড়ে। আমরা প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তার দাবি জানাচ্ছি।”


তিনি আরও বলেন, “ব্যবসায়ীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য জাফলং পর্যটন কেন্দ্রের সিঁড়ির নিচ থেকে জিরো পয়েন্ট এলাকার দোকানদারদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী শেড বা দোকানঘর নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা না নিলে এই পর্যটন শিল্প ও ব্যবসায়ীদের রক্ষা করা সম্ভব হবে না।”


এ বিষয়ে রতন কুমার অধিকারী বলেন, মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পিয়াইন নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকার দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রশাসন পেয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।


স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত পুনর্বাসন ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরের মতো পাহাড়ি ঢলে জাফলংয়ের ব্যবসায়ী ও পর্যটন খাতকে একই ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

সিলেট, জাফলং: ভারতের মেঘালয়ে ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে সিলেটের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র জাফলং। শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাতে পিয়াইন নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকার শতাধিক দোকানঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে কয়েকশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকানপাট ও মালামাল সম্পূর্ণ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।


স্থানীয় সূত্র ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, শনিবার রাতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়। এর প্রভাবে গভীর রাতে জাফলং জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পিয়াইন নদীর পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পাহাড়ি ঢলের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ব্যবসায়ীরা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ পাননি। অনেকেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন, আবার কেউ কেউ দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের তোড়ে দোকানপাট ভেঙে পড়ে এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল নদীতে ভেসে যায়।


ভুক্তভোগীরা জানান, পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে নতুন মালামাল সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু এক রাতের এই দুর্যোগ তাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন কেড়ে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।


জাফলং পর্যটন কেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, “গভীর রাতে পাহাড়ি ঢলের কারণে আমাদের কয়েক শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আজ পথে বসে গেছেন। প্রতি বছরই আমাদের জীবন ও জীবিকা এমন ঝুঁকির মুখে পড়ে। আমরা প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তার দাবি জানাচ্ছি।”


তিনি আরও বলেন, “ব্যবসায়ীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য জাফলং পর্যটন কেন্দ্রের সিঁড়ির নিচ থেকে জিরো পয়েন্ট এলাকার দোকানদারদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী শেড বা দোকানঘর নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা না নিলে এই পর্যটন শিল্প ও ব্যবসায়ীদের রক্ষা করা সম্ভব হবে না।”


এ বিষয়ে রতন কুমার অধিকারী বলেন, মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পিয়াইন নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকার দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রশাসন পেয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।


স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত পুনর্বাসন ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরের মতো পাহাড়ি ঢলে জাফলংয়ের ব্যবসায়ী ও পর্যটন খাতকে একই ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com