Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৪ জুন ২০২৬ · ০১:১৭ পূর্বাহ্ন

মালয়েশিয়া থেকে ১৮০ বিদেশি বহিষ্কার, তালিকায় ২২ বাংলাদেশি

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

অনলাইন ডেস্ক।  মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের মোট ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে ২২ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।


সোমবার (২২ জুন) জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিভাগের তথ্যানুযায়ী, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সর্বাধিক ১৩২ জন মিয়ানমারের নাগরিক। এছাড়া ২২ জন বাংলাদেশি, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।


ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-১ ও ২, সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন কমপ্লেক্সের মাধ্যমে এসব বিদেশিকে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত সবাইকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা কোনোভাবেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।


প্রত্যাবাসনের ব্যয় বহন করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজস্ব অর্থ, তাদের পরিবারের সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস।


মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশটির অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলবে।

অনলাইন ডেস্ক।  মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের মোট ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে ২২ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।


সোমবার (২২ জুন) জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিভাগের তথ্যানুযায়ী, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সর্বাধিক ১৩২ জন মিয়ানমারের নাগরিক। এছাড়া ২২ জন বাংলাদেশি, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।


ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-১ ও ২, সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন কমপ্লেক্সের মাধ্যমে এসব বিদেশিকে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত সবাইকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা কোনোভাবেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।


প্রত্যাবাসনের ব্যয় বহন করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজস্ব অর্থ, তাদের পরিবারের সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস।


মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশটির অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com