Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৩ জুন ২০২৬ · ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

প্রেমের টানাপোড়েন চরমে: ১৯ দিন ধরে অবস্থান, মাঝেই নতুন বিয়ে করলেন প্রেমিক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ১৯ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, এরই মধ্যে অন্য মেয়েকে ঘরে তুললেন কয়েছ মিয়া
ছবি

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বগাইয়া উত্তর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ও তার চাচার ঘরে ১৯ দিন ধরে অবস্থান করছেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী। এরই মধ্যে ওই প্রেমিক অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে তুলেছেন বলে জানা গেছে।


ভুক্তভোগী তরুণী গত ৩ জুন বিকেল থেকে উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের বগাইয়া গ্রামের কয়েছ মিয়া ও তার চাচা ইসলাম উদ্দিনের ঘরে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন। একই সময়ে ৪ জুন অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে নতুন স্ত্রীকে ঘরে তোলেন কয়েছ মিয়া।


কয়েছ মিয়া ওই এলাকার হাজী রফিক উদ্দিনের ছেলে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের প্রেম ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি ঘিরে এই সংকটের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।


তরুণীর অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তা শুরু হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয় এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কয়েছ।


তরুণীর পরিবার পরে তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে মোবাইলে আকদ সম্পন্ন হয় বলে জানা যায়। তবে ওই বিয়ের খবর পাওয়ার পর আপত্তিকর ভিডিও পাঠানোর অভিযোগ উঠলে সেই বিয়েও ভেঙে যায়।


এরপরই গত ৩ জুন তরুণী প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান শুরু করেন এবং এখনো অনড় রয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার জীবন ধ্বংস করেছে কয়েছ। বিয়ে না করলে আমি এখান থেকে যাব না।”


এদিকে তরুণীর মা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী হওয়ায় ছেলের পরিবার বিষয়টি মীমাংসায় সহযোগিতা করছে না।


স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন শিহাব জানান, উভয় পক্ষ নিয়ে আলোচনা হলেও সমাধান হয়নি। আলোচনার পরদিনই কয়েছ অন্য মেয়েকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।


ইউপি সদস্য পাবলু মিয়া বলেন, “মেয়েটির দাবি একটাই—বিয়ে। কিন্তু ছেলের পক্ষ রাজি না হওয়ায় সমাধান হয়নি।”


অন্যদিকে কয়েছ মিয়া ফোনে বলেন, “মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, এটা সত্য। এখন আমার ঘরে আরেক বউ আছে। স্থানীয় মেম্বারদের সঙ্গে কথা বলেন।”


গোয়াইনঘাট থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বগাইয়া উত্তর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ও তার চাচার ঘরে ১৯ দিন ধরে অবস্থান করছেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী। এরই মধ্যে ওই প্রেমিক অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে তুলেছেন বলে জানা গেছে।


ভুক্তভোগী তরুণী গত ৩ জুন বিকেল থেকে উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের বগাইয়া গ্রামের কয়েছ মিয়া ও তার চাচা ইসলাম উদ্দিনের ঘরে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন। একই সময়ে ৪ জুন অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে নতুন স্ত্রীকে ঘরে তোলেন কয়েছ মিয়া।


কয়েছ মিয়া ওই এলাকার হাজী রফিক উদ্দিনের ছেলে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের প্রেম ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি ঘিরে এই সংকটের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।


তরুণীর অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তা শুরু হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয় এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কয়েছ।


তরুণীর পরিবার পরে তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে মোবাইলে আকদ সম্পন্ন হয় বলে জানা যায়। তবে ওই বিয়ের খবর পাওয়ার পর আপত্তিকর ভিডিও পাঠানোর অভিযোগ উঠলে সেই বিয়েও ভেঙে যায়।


এরপরই গত ৩ জুন তরুণী প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান শুরু করেন এবং এখনো অনড় রয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার জীবন ধ্বংস করেছে কয়েছ। বিয়ে না করলে আমি এখান থেকে যাব না।”


এদিকে তরুণীর মা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী হওয়ায় ছেলের পরিবার বিষয়টি মীমাংসায় সহযোগিতা করছে না।


স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন শিহাব জানান, উভয় পক্ষ নিয়ে আলোচনা হলেও সমাধান হয়নি। আলোচনার পরদিনই কয়েছ অন্য মেয়েকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।


ইউপি সদস্য পাবলু মিয়া বলেন, “মেয়েটির দাবি একটাই—বিয়ে। কিন্তু ছেলের পক্ষ রাজি না হওয়ায় সমাধান হয়নি।”


অন্যদিকে কয়েছ মিয়া ফোনে বলেন, “মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, এটা সত্য। এখন আমার ঘরে আরেক বউ আছে। স্থানীয় মেম্বারদের সঙ্গে কথা বলেন।”


গোয়াইনঘাট থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com