কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তৎপরতার পর থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জনসংযোগ চালাচ্ছেন এবং তুলে ধরছেন নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি। তবে এবারের নির্বাচনী মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী। জনসমর্থন ও গণসংযোগের বিচারে তিনি বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত।
লোভা ও সুরমা নদী পরিবেষ্টিত খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়ন উপজেলার পূর্ব সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করলেও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে ইউনিয়নটি এখনও উন্নয়নের দিক থেকে অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের নানা সংকটে জর্জরিত এই জনপদের মানুষ এবার নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও মানবিক ব্যক্তি। কান্দলা গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বহু আগেই। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করায় তাঁর প্রতি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কাড়াবাল্লা থেকে মঙ্গলপুর পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তাঁর প্রতি মানুষের ব্যাপক সমর্থনের চিত্র দেখা গেছে।
এলাকার প্রবীণদের মতে, আশরাফুল আলম চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। তাঁর পিতা মরহুম সামছুজ্জান চৌধুরী শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি মুলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য ৩০ শতক জমি, কান্দলা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের জন্য ২০ শতক জমি এবং কান্দলা কেন্দ্রীয় কবরস্থানের জন্য ৩৩ শতক জমি দান করেন।
পারিবারিক এই দানশীলতার ধারা অব্যাহত রেখে কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরীও গত ২৪ বছর ধরে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিভিন্ন কাজে বিনামূল্যে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন, যা তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
স্থানীয় সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা জানান, এলাকার অন্যতম অর্থনৈতিক উৎস লোভাছড়া পাথর কোয়ারি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
তিনি সরকারি বরাদ্দের শতভাগ স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, শোষণমুক্ত ও আদর্শ মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার কথা বলে আসছেন।
এলাকার সচেতন ভোটারদের ভাষ্য, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব মানুষকে তারা সমর্থন দিচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তৎপরতার পর থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জনসংযোগ চালাচ্ছেন এবং তুলে ধরছেন নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি। তবে এবারের নির্বাচনী মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী। জনসমর্থন ও গণসংযোগের বিচারে তিনি বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত।
লোভা ও সুরমা নদী পরিবেষ্টিত খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়ন উপজেলার পূর্ব সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করলেও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে ইউনিয়নটি এখনও উন্নয়নের দিক থেকে অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের নানা সংকটে জর্জরিত এই জনপদের মানুষ এবার নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও মানবিক ব্যক্তি। কান্দলা গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বহু আগেই। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করায় তাঁর প্রতি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কাড়াবাল্লা থেকে মঙ্গলপুর পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তাঁর প্রতি মানুষের ব্যাপক সমর্থনের চিত্র দেখা গেছে।
এলাকার প্রবীণদের মতে, আশরাফুল আলম চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। তাঁর পিতা মরহুম সামছুজ্জান চৌধুরী শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি মুলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য ৩০ শতক জমি, কান্দলা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের জন্য ২০ শতক জমি এবং কান্দলা কেন্দ্রীয় কবরস্থানের জন্য ৩৩ শতক জমি দান করেন।
পারিবারিক এই দানশীলতার ধারা অব্যাহত রেখে কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরীও গত ২৪ বছর ধরে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিভিন্ন কাজে বিনামূল্যে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন, যা তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
স্থানীয় সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা জানান, এলাকার অন্যতম অর্থনৈতিক উৎস লোভাছড়া পাথর কোয়ারি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
তিনি সরকারি বরাদ্দের শতভাগ স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে লক্ষীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, শোষণমুক্ত ও আদর্শ মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার কথা বলে আসছেন।
এলাকার সচেতন ভোটারদের ভাষ্য, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব মানুষকে তারা সমর্থন দিচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, কাজী আশরাফুল আলম চৌধুরী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।