Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৭ জুন ২০২৬ · ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

হাওরবাসীর নিরাপত্তায় বজ্রপাত সচেতনতা মেলা, দোয়ারাবাজারে নানা আয়োজন।

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ দোয়ারাবাজারে কমিউনিটি সেফটি ফোকাল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত, বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকতে সচেতনতায় গুরুত্ব
ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:


“শুনিলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাবো তখনই”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি সেফটি ফোকাল মেলা-২০২৬। বজ্রপাত ও বহুমুখী দুর্যোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদের সামনের মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়।


LIGHT Project-এর আওতায় মেলার আয়োজন করে এফোর্টস ফর রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট (ইরা) এবং এতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইরার নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা আক্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম তালুকদার, প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মানবিক সহায়তাকারী অ্যাক্টরের উপদেষ্টা মোহাম্মদ সাজেদ, ইরার প্রোগ্রাম ডিরেক্টর কামরুজ্জামান, ড. সোনিমা কর্মচারীয়া (নেপাল), পাবলিক হেলথ অফিসার শীতল সাকিয়া, সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইরার মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার মো. ফজলুল করিম।


আলোচনা সভায় বক্তারা বজ্রপাতের সময় করণীয় ও নিরাপদ থাকার বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন। তারা বলেন, বজ্রপাতের সময় ঘর থেকে বের হওয়া উচিত নয়। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে প্লাস্টিকের জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় পুকুর, নদী কিংবা অন্যান্য জলাশয়ে যাওয়া, মাছ ধরা বা নৌকা চালানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।


বক্তারা আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের কৃষক ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাওরে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপদ ছাউনি বা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ জরুরি। এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মিত হলে বজ্রপাত ও আকস্মিক দুর্যোগের সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবে এবং প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।


দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় বজ্রপাত ও দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রদর্শনী, তথ্যকেন্দ্র এবং পাঁচটি পৃথক স্টলের মাধ্যমে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সচেতনতামূলক বিষয় উপস্থাপন করা হয়। অতিথিরা স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


বক্তারা বলেন, বজ্রপাতসহ বহুমুখী দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে এ ধরনের আয়োজন সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:


“শুনিলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাবো তখনই”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি সেফটি ফোকাল মেলা-২০২৬। বজ্রপাত ও বহুমুখী দুর্যোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদের সামনের মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়।


LIGHT Project-এর আওতায় মেলার আয়োজন করে এফোর্টস ফর রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট (ইরা) এবং এতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইরার নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা আক্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম তালুকদার, প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মানবিক সহায়তাকারী অ্যাক্টরের উপদেষ্টা মোহাম্মদ সাজেদ, ইরার প্রোগ্রাম ডিরেক্টর কামরুজ্জামান, ড. সোনিমা কর্মচারীয়া (নেপাল), পাবলিক হেলথ অফিসার শীতল সাকিয়া, সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইরার মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার মো. ফজলুল করিম।


আলোচনা সভায় বক্তারা বজ্রপাতের সময় করণীয় ও নিরাপদ থাকার বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন। তারা বলেন, বজ্রপাতের সময় ঘর থেকে বের হওয়া উচিত নয়। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে প্লাস্টিকের জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় পুকুর, নদী কিংবা অন্যান্য জলাশয়ে যাওয়া, মাছ ধরা বা নৌকা চালানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।


বক্তারা আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের কৃষক ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাওরে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপদ ছাউনি বা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ জরুরি। এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মিত হলে বজ্রপাত ও আকস্মিক দুর্যোগের সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবে এবং প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।


দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় বজ্রপাত ও দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রদর্শনী, তথ্যকেন্দ্র এবং পাঁচটি পৃথক স্টলের মাধ্যমে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সচেতনতামূলক বিষয় উপস্থাপন করা হয়। অতিথিরা স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


বক্তারা বলেন, বজ্রপাতসহ বহুমুখী দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে এ ধরনের আয়োজন সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com