কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন ঘাটের ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সাদাপাথর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঘাট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কালাইরাগ হয়ে পর্যটকদের যাতায়াত যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাট ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে উল্লেখ রয়েছে—কালাইরাগ হয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মধ্য দিয়ে পর্যটকদের যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য ইজারার শর্ত অনুযায়ী তারা ঘাটটি অত্যন্ত সুষ্ঠু, সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করছেন। সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন অবগত রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
তারা আরও জানান, সম্প্রতি কিছু পর্যটক কালাইরাগ হয়ে ভারত সীমান্তঘেঁষা পথে সাদাপাথর পর্যটন স্পটে প্রবেশ করছেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করলে প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে এবং মানবপাচার চক্রের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনাও থাকে। এ কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কালাইরাগের ওই পথটি বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা ঘাট ও পার্কিং এলাকা ইজারাদারের দায়িত্ব ও কর্তব্যের অংশ বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘাট পরিচালনার এই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে বিতর্কিত করতে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে, যার ফলে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। এ কারণেই সঠিক তথ্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শেষে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিকল্প কোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার না করে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর নৌ-ঘাট হয়ে সাদাপাথর পর্যটন স্পটে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হয়।
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন ঘাটের ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সাদাপাথর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঘাট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কালাইরাগ হয়ে পর্যটকদের যাতায়াত যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাট ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে উল্লেখ রয়েছে—কালাইরাগ হয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মধ্য দিয়ে পর্যটকদের যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য ইজারার শর্ত অনুযায়ী তারা ঘাটটি অত্যন্ত সুষ্ঠু, সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করছেন। সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন অবগত রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
তারা আরও জানান, সম্প্রতি কিছু পর্যটক কালাইরাগ হয়ে ভারত সীমান্তঘেঁষা পথে সাদাপাথর পর্যটন স্পটে প্রবেশ করছেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করলে প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে এবং মানবপাচার চক্রের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনাও থাকে। এ কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কালাইরাগের ওই পথটি বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা ঘাট ও পার্কিং এলাকা ইজারাদারের দায়িত্ব ও কর্তব্যের অংশ বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘাট পরিচালনার এই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে বিতর্কিত করতে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে, যার ফলে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। এ কারণেই সঠিক তথ্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শেষে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিকল্প কোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার না করে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর নৌ-ঘাট হয়ে সাদাপাথর পর্যটন স্পটে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হয়।