ঢাকা: ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সাইডলাইনে ওআইসি লেবার সেন্টারের মহাপরিচালক আজার বায়রামভ-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সোমবার (৯ জুন ) দুপুরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত থেকে নিজ দেশ ও গন্তব্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তিনি এসব দেশে নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো শ্রম খাতে সর্বোত্তম চর্চা এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। দ্রুত পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে দক্ষতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে কারিগরি সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ওআইসি লেবার সেন্টারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একইসঙ্গে এসব উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে, ওআইসি লেবার সেন্টারের মহাপরিচালক আজার বায়রামভ ওআইসির শ্রম কেন্দ্র সংবিধিতে স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত অনুসমর্থনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অভিবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার সংস্থা কাজ করে যাবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রমমন্ত্রী ছাড়াও শ্রমসচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান, অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির, উপসচিব সৈয়দ ইরতিজা আহসান এবং মো. শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা: ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সাইডলাইনে ওআইসি লেবার সেন্টারের মহাপরিচালক আজার বায়রামভ-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সোমবার (৯ জুন ) দুপুরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত থেকে নিজ দেশ ও গন্তব্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তিনি এসব দেশে নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো শ্রম খাতে সর্বোত্তম চর্চা এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। দ্রুত পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে দক্ষতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে কারিগরি সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ওআইসি লেবার সেন্টারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একইসঙ্গে এসব উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে, ওআইসি লেবার সেন্টারের মহাপরিচালক আজার বায়রামভ ওআইসির শ্রম কেন্দ্র সংবিধিতে স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত অনুসমর্থনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অভিবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার সংস্থা কাজ করে যাবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রমমন্ত্রী ছাড়াও শ্রমসচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান, অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির, উপসচিব সৈয়দ ইরতিজা আহসান এবং মো. শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।