নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় র্যাব-৯ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোট ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে র্যাব-৯ সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প ও হবিগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করা, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— অনুরাগ সুইট মিটের মালিক বানীপদ রায়কে ২০ হাজার টাকা, মুসলিম সুইট মিটের মালিক ফয়সাল হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা, বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির মালিক রিফাতকে ৮ হাজার টাকা, ইসওয়ান স্টোরের মালিক জাহিদ খানকে ১০ হাজার টাকা এবং ফাল্গুনী স্টোরের মালিক মিহির তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এতে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৩ হাজার টাকা।
এদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বাজারের বিভিন্ন স্থানে গুদামঘর স্থাপন করে তেল, পেঁয়াজ, রসুন, সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্যের সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ভোক্তা অধিকার অভিযানের খবর পেলেই এসব ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়।
এ কারণে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের এসব অনিয়ম ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় র্যাব-৯ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোট ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে র্যাব-৯ সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প ও হবিগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করা, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— অনুরাগ সুইট মিটের মালিক বানীপদ রায়কে ২০ হাজার টাকা, মুসলিম সুইট মিটের মালিক ফয়সাল হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা, বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির মালিক রিফাতকে ৮ হাজার টাকা, ইসওয়ান স্টোরের মালিক জাহিদ খানকে ১০ হাজার টাকা এবং ফাল্গুনী স্টোরের মালিক মিহির তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এতে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৩ হাজার টাকা।
এদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বাজারের বিভিন্ন স্থানে গুদামঘর স্থাপন করে তেল, পেঁয়াজ, রসুন, সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্যের সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ভোক্তা অধিকার অভিযানের খবর পেলেই এসব ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়।
এ কারণে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের এসব অনিয়ম ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।