বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বুধবার সকালের বজ্রপাতে ৬ চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষের মৃত্যু ঘটেছে। বজ্রপাতের ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের কুচাই চা বাগানে। এঘটনায় নিঃস্ব চা শ্রমিক পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম। ক্ষতিগ্রস্থ চা শ্রমিকদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বজ্রসহ বৃষ্টির মাঝে কুচাই চা বাগানের ৬ শ্রমিকের গরু ও মহিষ কুচাই জালাই ও পাথরটিলা নামক স্থানে টিলায় ঘুরে ঘুরে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একই সময়ে দুইটি স্থানে প্রচন্ড বজ্রপাত ঘটে। এতে কুচাই জালাই নামক স্থানে চরা অবস্থায় চা শ্রমিক বুধু লালের ২টি, চিনি লালের ১টি, রবি মোহনের ৩টি, রাজন কুর্মীর ৩টি, কালাচানের ২টি ও মকরো গোয়ালার ১টি সহ ১৩ গরু এবং পাথরটিলা এলাকায় বিরসা নামক চা শ্রমিকের একটি মহিষ মারা যায়। বজ্রপাতে গবাদিপশুর মৃত্যুতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে ৬টি চা শ্রমিক পরিবার। নিহত গবাদি পশুগুলোই ছিল তাদের পরিবারের আয়ের অন্যতম উৎস। এক মুহূর্তেই জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বন হারিয়ে এসব পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মৃত গবাদিপশুর পাশে বসে তারা মাতম করছে।
গোয়ালবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জানান, বজ্রপাতে ৬ চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা যাওয়ার খবর পেয়েই তিনি ছুটে যান ঘটনাস্থলে। ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতার সান্তনা দেন। ঘটনাটি তাৎক্ষনিক স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বুধবার সকালের বজ্রপাতে ৬ চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষের মৃত্যু ঘটেছে। বজ্রপাতের ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের কুচাই চা বাগানে। এঘটনায় নিঃস্ব চা শ্রমিক পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম। ক্ষতিগ্রস্থ চা শ্রমিকদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বজ্রসহ বৃষ্টির মাঝে কুচাই চা বাগানের ৬ শ্রমিকের গরু ও মহিষ কুচাই জালাই ও পাথরটিলা নামক স্থানে টিলায় ঘুরে ঘুরে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একই সময়ে দুইটি স্থানে প্রচন্ড বজ্রপাত ঘটে। এতে কুচাই জালাই নামক স্থানে চরা অবস্থায় চা শ্রমিক বুধু লালের ২টি, চিনি লালের ১টি, রবি মোহনের ৩টি, রাজন কুর্মীর ৩টি, কালাচানের ২টি ও মকরো গোয়ালার ১টি সহ ১৩ গরু এবং পাথরটিলা এলাকায় বিরসা নামক চা শ্রমিকের একটি মহিষ মারা যায়। বজ্রপাতে গবাদিপশুর মৃত্যুতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে ৬টি চা শ্রমিক পরিবার। নিহত গবাদি পশুগুলোই ছিল তাদের পরিবারের আয়ের অন্যতম উৎস। এক মুহূর্তেই জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বন হারিয়ে এসব পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মৃত গবাদিপশুর পাশে বসে তারা মাতম করছে।
গোয়ালবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জানান, বজ্রপাতে ৬ চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা যাওয়ার খবর পেয়েই তিনি ছুটে যান ঘটনাস্থলে। ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতার সান্তনা দেন। ঘটনাটি তাৎক্ষনিক স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।