বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডিআইজি আলী আকবর খান। গত ০১ জুন ২০২৬ তারিখে পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়।
১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন তিনি। ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণকারী আলী আকবর খান দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিনি রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ অধিদপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তাঁর কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্ব সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ইতালিতে অনুষ্ঠিত “প্রমোটিং রেগুলার অ্যান্ড লিগ্যাল মাইগ্রেশন, প্রিভেন্টিং হিউম্যান ট্রাফিকিং, ডিসকারেজিং ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েটিং ইরেগুলার মাইগ্র্যান্টস” এবং মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত “ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড স্মাগলিং অব মাইগ্র্যান্টস (টিআইপি/এসওএম) ডাটা কালেক্টিং ফর সাউথ এশিয়া” শীর্ষক কর্মশালা উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সংস্থাটির সদস্যরা তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে সিআইডির চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও সময়োপযোগী হবে।
বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডিআইজি আলী আকবর খান। গত ০১ জুন ২০২৬ তারিখে পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়।
১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন তিনি। ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণকারী আলী আকবর খান দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিনি রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ অধিদপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তাঁর কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্ব সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ইতালিতে অনুষ্ঠিত “প্রমোটিং রেগুলার অ্যান্ড লিগ্যাল মাইগ্রেশন, প্রিভেন্টিং হিউম্যান ট্রাফিকিং, ডিসকারেজিং ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েটিং ইরেগুলার মাইগ্র্যান্টস” এবং মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত “ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড স্মাগলিং অব মাইগ্র্যান্টস (টিআইপি/এসওএম) ডাটা কালেক্টিং ফর সাউথ এশিয়া” শীর্ষক কর্মশালা উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সংস্থাটির সদস্যরা তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে সিআইডির চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও সময়োপযোগী হবে।