Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০২ জুন ২০২৬ · ১১:২৮ অপরাহ্ন

সিলেটে পুলিশের অভিযানে অপহরণ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সিলেট প্রতিনিধি: এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ অপহরণ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এবং অপহৃত ভিকটিম জিল্লুর রহমান (২৭)-কে উদ্ধার করেছে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে ভিকটিম জিল্লুর রহমানের সঙ্গে আসামি মীম আক্তার নাহিদার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে।


গত ১ জুন ২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যা আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকায় মীম আক্তার নাহিদা ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য ডেকে নেয়। তিনি এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ বড়বাজার গলির মুখে পৌঁছালে আসামিরা তাকে মারধর করে সিএনজিযোগে কুনিপাড়া এলাকায় একটি বসতঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে অবৈধভাবে আটক করে রাখে।


পরবর্তীতে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা আরও কয়েকজন আসামি তাকে বেধড়ক মারধর করে জখম করে। একপর্যায়ে আসামি এমরান খান ভিকটিমের পকেট থেকে ৮,০০০ টাকা নিয়ে নেয় এবং পরিবারের কাছে ৫০,০০০ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।


ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাটি জানতে পারে। পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে এএসআই (নিঃ) এমদাদ হোসেনের নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।


এ সময় পুলিশ পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো—

১) মীম আক্তার নাহিদা (২২) ২) মিল্লাত (২০) ৩) শিল্পি বেগম প্রকাশ শিল্পি দেওয়ান (৪০) ৪) এমরান খান (২৪) ৫) স্বপন আহমেদ (২৩)


এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা নং-০১, তারিখ ০২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩৬৫/৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৩৭৯/৫০৬/৩৪ পেনাল কোডে রুজু করা হয়েছে।


গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সিলেট প্রতিনিধি: এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ অপহরণ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এবং অপহৃত ভিকটিম জিল্লুর রহমান (২৭)-কে উদ্ধার করেছে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে ভিকটিম জিল্লুর রহমানের সঙ্গে আসামি মীম আক্তার নাহিদার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে।


গত ১ জুন ২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যা আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকায় মীম আক্তার নাহিদা ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য ডেকে নেয়। তিনি এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ বড়বাজার গলির মুখে পৌঁছালে আসামিরা তাকে মারধর করে সিএনজিযোগে কুনিপাড়া এলাকায় একটি বসতঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে অবৈধভাবে আটক করে রাখে।


পরবর্তীতে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা আরও কয়েকজন আসামি তাকে বেধড়ক মারধর করে জখম করে। একপর্যায়ে আসামি এমরান খান ভিকটিমের পকেট থেকে ৮,০০০ টাকা নিয়ে নেয় এবং পরিবারের কাছে ৫০,০০০ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।


ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাটি জানতে পারে। পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে এএসআই (নিঃ) এমদাদ হোসেনের নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।


এ সময় পুলিশ পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো—

১) মীম আক্তার নাহিদা (২২) ২) মিল্লাত (২০) ৩) শিল্পি বেগম প্রকাশ শিল্পি দেওয়ান (৪০) ৪) এমরান খান (২৪) ৫) স্বপন আহমেদ (২৩)


এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা নং-০১, তারিখ ০২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩৬৫/৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৩৭৯/৫০৬/৩৪ পেনাল কোডে রুজু করা হয়েছে।


গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com