সিলেট প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে সিলেট নগরীর শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি।
তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত অল্প সময়ে দেশের শাসনব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। শহীদ জিয়া বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিলেন।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “তাঁর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী কূটনৈতিক সফলতার কারণেই বাংলাদেশ তৎকালীন সময়ে ভোটে জাপানকে পরাজিত করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদ লাভ করেছিল।”
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, “দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর রক্তক্ষয়ী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। বিগত তিন মাস ধরে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের গুণাবলী জনগণ প্রত্যক্ষ করছে। তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রম।”
তিনি দাবি করেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট মাত্র ১০০ টাকা, যা ক্যাবিনেটের সবার জন্য সমভাবে নির্ধারিত। অথচ অতীতে একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বিলই দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হতো। একজন অভিভাবকের মতো সততা ও পরিমিতিবোধ বজায় রাখায় দেশের মানুষ তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে।”
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, “শিগগিরই সিলেটে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। পাশাপাশি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১২ শয্যার অত্যাধুনিক একটি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া সাহেবের বাজার থেকে টিলাগড় পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হবে, যাতে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন শহরের বাইরে দিয়েই চলাচল করতে পারে। শহরের চারপাশে লিংক রোড নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. মালিক, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম।
সভায় আরও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. নাজমুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, আমির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জামান রোজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউল বারী খোরশেদ, সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জীবন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ প্রমুখ।
সভায় মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সিলেট প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে সিলেট নগরীর শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি।
তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত অল্প সময়ে দেশের শাসনব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। শহীদ জিয়া বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিলেন।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “তাঁর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী কূটনৈতিক সফলতার কারণেই বাংলাদেশ তৎকালীন সময়ে ভোটে জাপানকে পরাজিত করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদ লাভ করেছিল।”
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, “দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর রক্তক্ষয়ী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। বিগত তিন মাস ধরে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের গুণাবলী জনগণ প্রত্যক্ষ করছে। তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রম।”
তিনি দাবি করেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট মাত্র ১০০ টাকা, যা ক্যাবিনেটের সবার জন্য সমভাবে নির্ধারিত। অথচ অতীতে একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বিলই দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হতো। একজন অভিভাবকের মতো সততা ও পরিমিতিবোধ বজায় রাখায় দেশের মানুষ তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে।”
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, “শিগগিরই সিলেটে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। পাশাপাশি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১২ শয্যার অত্যাধুনিক একটি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া সাহেবের বাজার থেকে টিলাগড় পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হবে, যাতে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন শহরের বাইরে দিয়েই চলাচল করতে পারে। শহরের চারপাশে লিংক রোড নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. মালিক, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম।
সভায় আরও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. নাজমুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, আমির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জামান রোজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউল বারী খোরশেদ, সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জীবন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ প্রমুখ।
সভায় মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।