Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৮ মে ২০২৬ · ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

শাল্লায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ২, আহত অন্তত ১০

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।


মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে গ্রামের সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফি মিয়া ওরফে শফিউল মেম্বার/আওয়াল নুর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই পায়েল মিয়া (২০) নিহত হন। তিনি ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। পরে গুরুতর আহত তাহেরা বেগম (৩২/৩৫)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় আলকাস মিয়া (৫০) গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।


স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধ নিয়ে একই গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


হামলার বিষয়ে সাইদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে পায়েল মিয়াকে হত্যা ও অন্যদের আহত করে।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের আওয়াল নুর দাবি করেন, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদের ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা সাজানো হয়েছে।


শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


তিনি আরও জানান, নিহত তাহেরা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহত পায়েল মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শ্রীহাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।


মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে গ্রামের সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফি মিয়া ওরফে শফিউল মেম্বার/আওয়াল নুর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই পায়েল মিয়া (২০) নিহত হন। তিনি ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। পরে গুরুতর আহত তাহেরা বেগম (৩২/৩৫)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় আলকাস মিয়া (৫০) গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।


স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধ নিয়ে একই গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


হামলার বিষয়ে সাইদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে পায়েল মিয়াকে হত্যা ও অন্যদের আহত করে।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের আওয়াল নুর দাবি করেন, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদের ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা সাজানো হয়েছে।


শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


তিনি আরও জানান, নিহত তাহেরা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহত পায়েল মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শ্রীহাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com