Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৬ মে ২০২৬ · ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন

সিলেটে বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে হাইকমিশনারের বৈঠক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ নারী উদ্যোক্তা ও বাণিজ্য সহযোগিতায় নতুন দিগন্তের আশা
ছবি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের বিকাশ এবং বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সিলেটে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার।


রবিবার (১৭ মে) বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হাই কমিশনার চেম্বার কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।


পরিদর্শনকালে তিনি সিলেট উইমেন চেম্বারের উদ্যোক্তাদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যসামগ্রী ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে মনিপুরী শাড়ি, জামদানি ও নারীদের তৈরি কারুকাজসমৃদ্ধ পণ্যের গুণগত মানে তিনি মুগ্ধ হন এবং নারী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন।


চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হাই কমিশনার বলেন, এটি শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।


তিনি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যৌথ বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এতে উদ্যোক্তারা পণ্য প্রদর্শন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়ার সুযোগ পাবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


হাই কমিশনার জানান, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, চা ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।


তিনি আরও আশ্বাস দেন, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করতে এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে পাকিস্তান হাই কমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।


চেম্বার সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে পণ্যের গুণগত মান, উন্নত প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ের আহ্বান জানান।


তিনি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য “নারী উদ্যোক্তা শীর্ষ সম্মেলন” আয়োজনের প্রস্তাব দেন, যা নেটওয়ার্কিং, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে এগিয়ে নেবে বলে মত দেন।


বৈঠকে সিলেটের পর্যটন শিল্প নিয়েও আলোচনা হয়। সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চা বাগান, ইকো-ট্যুরিজম ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে পাকিস্তানি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। দুই দেশের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করবে বলেও মত দেন বক্তারা।


বৈঠকে চেম্বারের পরিচালকবৃন্দসহ বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর ও বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোক্তা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের বিকাশ এবং বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সিলেটে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার।


রবিবার (১৭ মে) বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হাই কমিশনার চেম্বার কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।


পরিদর্শনকালে তিনি সিলেট উইমেন চেম্বারের উদ্যোক্তাদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যসামগ্রী ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে মনিপুরী শাড়ি, জামদানি ও নারীদের তৈরি কারুকাজসমৃদ্ধ পণ্যের গুণগত মানে তিনি মুগ্ধ হন এবং নারী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন।


চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হাই কমিশনার বলেন, এটি শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।


তিনি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যৌথ বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এতে উদ্যোক্তারা পণ্য প্রদর্শন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়ার সুযোগ পাবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


হাই কমিশনার জানান, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, চা ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।


তিনি আরও আশ্বাস দেন, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করতে এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে পাকিস্তান হাই কমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।


চেম্বার সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে পণ্যের গুণগত মান, উন্নত প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ের আহ্বান জানান।


তিনি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য “নারী উদ্যোক্তা শীর্ষ সম্মেলন” আয়োজনের প্রস্তাব দেন, যা নেটওয়ার্কিং, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে এগিয়ে নেবে বলে মত দেন।


বৈঠকে সিলেটের পর্যটন শিল্প নিয়েও আলোচনা হয়। সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চা বাগান, ইকো-ট্যুরিজম ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে পাকিস্তানি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। দুই দেশের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করবে বলেও মত দেন বক্তারা।


বৈঠকে চেম্বারের পরিচালকবৃন্দসহ বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর ও বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোক্তা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com