Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৫ মে ২০২৬ · ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

মুখে গামছা বেঁধে স্কুলছাত্রীকে বর্বরোচিত ধর্ষণ, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এক ৩য় শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে (৯) মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে এই ঘটনা জানাজানি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রবিবার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামের সাইদুর রহমানের শিশু কন্যা ও স্থানীয় বড়চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ওই ছাত্রী গ্রামের একটি দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে একই গ্রামের মৃত কনর মিয়ার পুত্র আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী মিলে ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে ধর্ষণকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার সময় শিশুটির বাবা বাড়িতে না থাকায়, সোমবার দুপুরে তাকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিক্ষার্থীর মা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, "আমার অবুঝ মেয়েটা দোকানে মজা কিনতে যাওয়ার সময় কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ ও তার সাথে থাকা আরেকজন মিলে বাঁশঝাড়ে মুখে গামছা বেঁধে এই অমানুষিক নির্যাতন করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার নিষ্পাপ মেয়ের সাথে যারা এই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, আমি তাদের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি চাই।"

এদিকে এই অমানবিক ও বর্বরোচিত ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতা আফরোজ মিয়াসহ সকল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, "খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আটকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এক ৩য় শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে (৯) মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে এই ঘটনা জানাজানি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রবিবার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামের সাইদুর রহমানের শিশু কন্যা ও স্থানীয় বড়চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ওই ছাত্রী গ্রামের একটি দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে একই গ্রামের মৃত কনর মিয়ার পুত্র আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী মিলে ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে ধর্ষণকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার সময় শিশুটির বাবা বাড়িতে না থাকায়, সোমবার দুপুরে তাকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিক্ষার্থীর মা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, "আমার অবুঝ মেয়েটা দোকানে মজা কিনতে যাওয়ার সময় কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ ও তার সাথে থাকা আরেকজন মিলে বাঁশঝাড়ে মুখে গামছা বেঁধে এই অমানুষিক নির্যাতন করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার নিষ্পাপ মেয়ের সাথে যারা এই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, আমি তাদের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি চাই।"

এদিকে এই অমানবিক ও বর্বরোচিত ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতা আফরোজ মিয়াসহ সকল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, "খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আটকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com