জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:
মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম বাসগৃহ। অথচ সমাজে এখনো অনেক মানুষ জরাজীর্ণ ঘর কিংবা সম্পূর্ণ বাস্তহারা অবস্থায় জীবনযাপন করছে। এমনই দুই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে তামাবিলের মেসার্স ডিএনএম এন্টারপ্রাইজ।
তামাবিল নলজুরী দক্ষিণ পাড়ার ৭০ বছর বয়সী নেহারী বিবি স্বামীহারা এবং সন্তানদের অবহেলায় একমাত্র জরাজীর্ণ ঘরেই বসবাস করছিলেন। তার এই করুণ অবস্থা দেখে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ডিএনএম এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির। তিনি বৃদ্ধা নেহারী বিবির জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করে দেন। ঘরের অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
নতুন ঘর পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে নেহারী বিবি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, তিনি মনিরুজ্জামানের জন্য দোয়া করবেন এবং তাকে নিজের সন্তানের জায়গায় মনে করবেন।
অন্যদিকে নলজুরী স্কুল টিলার বাসিন্দা মোঃ রনি ও তার স্ত্রী রিনা আক্তারও নতুন ঘরের সুবিধা পেয়েছেন। রনি পেশায় শ্রমিক হলেও কাজের অভাব ও শারীরিক সমস্যার কারণে পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলেন। তাদের জন্যও একটি টিনসেড ঘর নির্মাণ করে দেন মনিরুজ্জামান মনির।
নতুন ঘর পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে রনি বলেন, সমাজে এমন মানুষের সংখ্যা বাড়লে দেশ আরও এগিয়ে যাবে। তিনি মনিরুজ্জামান মনিরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
শনিবার (২৩ মে) সকাল ১১টায় ঘর দুটি উপকারভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম সরওয়ার বেলাল, সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, স্থানীয় মুরব্বি খলিলুর রহমান, ইসমাইল হোসেন ও ইউনুস মিয়া প্রমুখ।
ডিএনএম এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তিনি ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।