সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, নগরীর প্রান্তিক ও বস্তিবাসী জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এফআইভিডিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং সিসিকের পক্ষ থেকে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে নগর ভবনের সভাকক্ষে এফআইভিডিবির ‘ইয়াং পিপল বিল্ডিং আরবান রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড নেশনস ডেমোক্রেসি ফান্ড (ইউএনডিএফ)-এর অর্থায়নে সিসিকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি একটি সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া। তরুণদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা সৃষ্টি ও স্থানীয় সমস্যার সমাধানে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নগর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নগর এলাকায় নতুন নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্জ্য দ্রুত সঠিক প্রক্রিয়ায় সম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে ভবিষ্যতে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল ফজল খোকন। সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়িত কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন এফআইভিডিবির প্রকল্প সমন্বয়কারী আবুবকর শিকদার।
সভায় জানানো হয়, ইউএনডিএফের অর্থায়নে এবং এফআইভিডিবির বাস্তবায়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১০টি ওয়ার্ডে প্রকল্পটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের দক্ষ ও সচেতন করে তোলার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি জলবায়ু ও দুর্যোগসংক্রান্ত সেবা সহজলভ্য করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।
প্রকল্প সমন্বয়কারী আবুবকর শিকদার জানান, ইতোমধ্যে ১০টি ওয়ার্ডে ৫০টি কমিউনিটি মবিলাইজেশন সভা, ৫০টি ইয়ুথ অ্যাকশন গ্রুপ গঠন, ১০০ জন পিয়ার লিডারের প্রশিক্ষণ, ১০ হাজার কমিউনিটি তথ্য সংগ্রহ এবং অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহারে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ৫০টি ক্লাইমেট অ্যাকশন প্ল্যান ও সমস্যা চিহ্নিতকরণ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে সিসিকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।
সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, নগরীর প্রান্তিক ও বস্তিবাসী জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এফআইভিডিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং সিসিকের পক্ষ থেকে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে নগর ভবনের সভাকক্ষে এফআইভিডিবির ‘ইয়াং পিপল বিল্ডিং আরবান রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড নেশনস ডেমোক্রেসি ফান্ড (ইউএনডিএফ)-এর অর্থায়নে সিসিকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি একটি সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া। তরুণদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা সৃষ্টি ও স্থানীয় সমস্যার সমাধানে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নগর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নগর এলাকায় নতুন নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্জ্য দ্রুত সঠিক প্রক্রিয়ায় সম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে ভবিষ্যতে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল ফজল খোকন। সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়িত কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন এফআইভিডিবির প্রকল্প সমন্বয়কারী আবুবকর শিকদার।
সভায় জানানো হয়, ইউএনডিএফের অর্থায়নে এবং এফআইভিডিবির বাস্তবায়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১০টি ওয়ার্ডে প্রকল্পটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের দক্ষ ও সচেতন করে তোলার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি জলবায়ু ও দুর্যোগসংক্রান্ত সেবা সহজলভ্য করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।
প্রকল্প সমন্বয়কারী আবুবকর শিকদার জানান, ইতোমধ্যে ১০টি ওয়ার্ডে ৫০টি কমিউনিটি মবিলাইজেশন সভা, ৫০টি ইয়ুথ অ্যাকশন গ্রুপ গঠন, ১০০ জন পিয়ার লিডারের প্রশিক্ষণ, ১০ হাজার কমিউনিটি তথ্য সংগ্রহ এবং অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহারে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ৫০টি ক্লাইমেট অ্যাকশন প্ল্যান ও সমস্যা চিহ্নিতকরণ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে সিসিকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।